Uncategorized

‘দরদাম অর, কিন্তু একটা গরুও বিক্রি অইছে না’

‘দরদাম অর, কিন্তু একটা গরুও বিক্রি অইছে না’ দরদ ম অর ক ন ত একট - ঈদ পর্বের আগে দুই দিন বাকি আছে, তবে মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার প্রাচীন বেচাকেনার মোকাম টেংরা

Desk Uncategorized
Published May 25, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

‘দরদাম অর, কিন্তু একটা গরুও বিক্রি অইছে না’

দরদ ম অর ক ন ত একট – ঈদ পর্বের আগে দুই দিন বাকি আছে, তবে মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার প্রাচীন বেচাকেনার মোকাম টেংরা বাজারে কোরবানির পশু বিক্রি পরিস্থিতি আশানুরূপ নয়। গবাদিপশুর বেচাকেনার সম্পূর্ণ ব্যবস্থা ছোট ও মাঝারি আকারের গরুতে পূর্ণ হয়েছে। ক্রেতাদের উপস্থিতি সীমিত বলে বিক্রেতারা সন্তুষ্ট নন। মৌলভীবাজার-কুলাউড়া সড়ক থেকে হাটে ঢোকার রাস্তায় ছুটতে হয়েছে অনেকের।

গতকাল রোববার সন্ধ্যা পর্যন্ত হাটে বিক্রি কম হয়েছে। গরু ও ছাগলের সাথে সাথে বিভিন্ন পণ্যের খুচরা বিক্রির সময় গতকাল ছিল ঈদের বাজার। মাছ ও অন্যান্য পণ্য বিক্রি হতে পারে এটি একটি বড় বাজার। ছোট গরু বেশি চাওয়া হচ্ছে তবে দরদাম না হওয়ায় বিক্রি হচ্ছে না।

‘বাজারের অবস্থা অখন অইলে হাইল অইবো, নাইলে মাইল অইবো (হয় চড়া হবে, না হয় মন্দা হবে)। দর মাইনসের বাটে পড়ের না (দাম মানুষের নাগালের মধ্যে হচ্ছে না)।’

রূপিয়ান মিয়া এখনও সাপ্তাহিক হাটে গরু বিক্রির প্রত্যাশা করছেন। তিনি জানান, অন্যান্য বছর ঈদের বাজার খুব ভালো হয়েছে। এবার ক্রেতা কম বলে সমস্যা দেখা দিয়েছে। তাঁর মতে, মানুষের উপচে পড়া ভিড়ের মধ্যে খুব কম বিক্রি হচ্ছে। আশা করছেন যে সন্ধ্যার পর অবস্থা বদলে যাবে।

হাটে পশু কেনাবেচার জন্য আলাদা অংশ নির্দিষ্ট হয়েছে। বৃষ্টির কারণে চারপাশ কাদা জমে ছিল। অনেক গরু বেঁধে রাখা হয়েছে বাঁশের খুঁটির উপর। সম্পূর্ণ হাটে ক্রেতারা দাম নির্ধারণ করছেন কিন্তু কোনও পশু বিক্রি হচ্ছে না।

‘বিক্রি অর (হচ্ছে) না। দরদাম করে, এরপর আর দাঁড়ায় না। আমার পালা দুইটা গরু লইয়া আইছি। হকলেই বেচার লাগি আইছি। আশা কররাম, সন্ধ্যার পর বিক্রি অইবো।’

টেংরা বাজারে মাংস কাটার অস্ত্র বিক্রির সময় বিক্রেতাদের কম আগ্রহ দেখা গেছে। দা ও ছুরি বিক্রি হচ্ছে না। শুকুর মিয়া বলেন, ঘাস ও আধা পাকা ধানগাছের সবুজ আঁটি বিক্রি করছেন। অন্য হাটে বিকেলের মধ্যে সব বিক্রি হয়ে যেত। তবে এবার মানুষের আত (হাতে) টাকা নাই বলে বিক্রি কম হয়েছে।

ঈদের রাত পর্যন্ত টেংরা বাজার টানা চলবে। গতকাল রোববার সন্ধ্যা পর্যন্ত বিক্রি ভালো না হলেও খামারিদের মধ্যে আশা জেগে আছে। এত গরুর ভিড়ে একটি কালো ষাঁড় ছিল। তার গলায় রঙিন ফুলের মালা পরানো ছিল। তাঁর মালিক রিপন মিয়া জানান, এটি তাঁর নিজের পালা। আড়াই লাখ টাকার উপরে দাম পেলে বেচবেন।

Leave a Comment