Uncategorized

তিন লাল কার্ডের উদ্বোধনী ম্যাচে ‘অভিশাপ’ কাটাল মেক্সিকো

তিন লাল কার্ডের উদ্বোধনী ম্যাচে ‘অভিশাপ’ কাটাল মেক্সিকো ত ন ল ল ক র ড - বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ জমজমাট অনুষ্ঠানে নিয়োজিত হওয়ার আগে মেক্সিকো সম্পূর্ণ তাদের

Desk Uncategorized
Published June 12, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

তিন লাল কার্ডের উদ্বোধনী ম্যাচে ‘অভিশাপ’ কাটাল মেক্সিকো

ত ন ল ল ক র ড – বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ জমজমাট অনুষ্ঠানে নিয়োজিত হওয়ার আগে মেক্সিকো সম্পূর্ণ তাদের ১১ খেলোয়াড় নিয়ে মাঠ ছেড়ে যেতে পারেনি। সেই ম্যাচে বিশ্বকাপের ইতিহাসে মেক্সিকো সর্বপ্রথম জয় অর্জন করে। প্রতিযোগী দল দক্ষিণ আফ্রিকা পরিচয় দেয়ার পূর্বে দুই গোলের আগে তিন লাল কার্ডের প্রতিযোগিতা নিয়ে প্রায় ছিটকে পড়ার কথা ছিল। তাই নিয়োজিত হওয়ার পর সেন্টার ব্যাক সেজার মন্তেস এবং মিডফিল্ডার সিথোলে প্রথম গোল দেখায় না। দুটি লাল কার্ডের পর দক্ষিণ আফ্রিকার সামনে ক্ষুদ্র সংখ্যক খেলোয়াড় মাঠে থাকে।

১৯৩০ সালে বিশ্বকাপের প্রথম আসর থেকে মেক্সিকো সাতবার উদ্বোধনী ম্যাচ খেলে একবার বিজয় অর্জন করতে পারেনি। কিন্তু তিনটি লাল কার্ডের ম্যাচে তাদের রেকর্ড ভাঙা হয়। উদ্বোধনী ম্যাচে ইতিহাসে তিনটি লাল কার্ডের ক্ষেত্রে এটি সর্বোচ্চ গোলপাল হয়ে দাঁড়ায়। বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে দুই গোলে জয় করার পর এই দুই খেলোয়াড় বিশ্বকাপে মাঠ ছেড়ে যায়।

মেক্সিকোর প্রথম গোল শুধুমাত্র কয়েক মিনিটে হয়। হুলিয়ান কিনিয়োনেসের শটে দক্ষিণ আফ্রিকা গোলকিপার রনওয়েন উইলিয়ামসের দুই পায়ের মাঝখানে বলটা আটকে পড়ে। এ যাত্রায় পারেননি বিশ্বকাপে কোনো আসরে মেক্সিকান থেকে উদ্বোধনী গোল দেখা।

সেজার মন্তেস যোগ করা সময় কয়েক মিনিটে লাল কার্ড পায়। পরে দক্ষিণ আফ্রিকার সিথোলে এবং জেওয়ানে আক্রমণে ফাউল করে লাল কার্ড পায়। দুটি গোল স্থাপনের পর দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথম জয় মেক্সিকোর দৃষ্টিতে কাটে। রাউল হিমিনেজের শত্রু প্রান্ত থেকে পাসের মাধ্যমে গোল করে দুই প্রতিপক্ষে মুখোমুখি হয় সেন্টার ব্যাক সেজার মন্তেস এবং মিডফিল্ডার সিথোলে।

অতি বৃহৎ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আনন্দে ভরা মাঠে মেক্সিকানরা সম্পূর্ণ খালি না হয়ে নিয়োজিত হয়। অবশেষে এই ম্যাচে তাদের সবুজ জার্সি পরা সমর্থকদের আনন্দের রেশ মুক্ত হয়। এটি মেক্সিকোর উদ্বোধনী ম্যাচের ইতিহাসে তৃতীয় দ্রুততম গোল। ১৯৯৮ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের সিজার সাম্পাইও গোল করেছিলেন ৫ মিনিটে, ২০০৬ বিশ্বকাপে জার্মানির ফিলিপ লাম করেছিলেন ৬ মিনিটে এবং কিনিয়োনেস গোল করেন ৯ মিনিটে।

মাঠ

Leave a Comment