Uncategorized

তাপে ঢাকার রিকশাচালকেরা কতটা ঝুঁকিতে, দেখাল গবেষণা

ঢাকার রিকশাচালকের তাপমাত্রা বৃদ্ধি দেখাল গবেষণা জলবায়ু পরিবর্তন স্বাস্থ্যের ঝুঁকি বৃদ্ধি করছে নগরের শ্রমজীবীদের জন্য ত প ঢ ক র র কশ - ঢাকার রাস্তায় যাত্রা

Desk Uncategorized
Published May 25, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

ঢাকার রিকশাচালকের তাপমাত্রা বৃদ্ধি দেখাল গবেষণা

জলবায়ু পরিবর্তন স্বাস্থ্যের ঝুঁকি বৃদ্ধি করছে নগরের শ্রমজীবীদের জন্য

ত প ঢ ক র র কশ – ঢাকার রাস্তায় যাত্রা করতে হলে আবদুল করিমের মাথা ঘুরে যায় বেশি করে। তাঁর বয়স ৫০ পেরিয়েছে। দিনে ১০ ঘণ্টার বেশি সময় নিয়ে কাজ করে তিনি। কিন্তু গরম এখন তাঁর শরীরের জন্য সহ্য করা কঠিন। শরীর পুড়ে যাওয়ার আশংকা করে তিনি। গত শুক্রবার দুপুরে ফার্মগেটে তাঁর সাথে কথা হয়। তাঁর গায়ে জীর্ণ পাঞ্জাবি রয়েছে যার কিছু অংশে সেলাইয়ের দাগ। তাপে ঘামে ভিজে সেই পাঞ্জাবি গায়ে লেপ্টে গেছে।

আবদুল করিম বলেন, “দিন যত যাইতেছে, কষ্ট বাড়তেছে। বয়স হইছে তো। গরম আর সহ্য হয় না।” তবু তাঁকে রিকশা চালানোর বাধ্যতা নেই না। আয় নেই ছাড়া তাঁর কিছু করা যায় না। তাপ ঝুঁকি আবদুল করিমের মতো মানুষকে প্রতিদিন দাঁড় করিয়ে দিচ্ছে। এতে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয় বলে অনেকে জানেন না।

নতুন এক গবেষণা দেখাচ্ছে যে ঢাকার রিকশাচালকেরা ইতিমধ্যে এমন তাপমাত্রা সামাল দিয়ে চালাচ্ছেন যা তাঁদের শরীরে গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ভবিষ্যতে এই ঝুঁকি আরও বেশি হতে পারে। গবেষণাটির শিরোনাম—ফোরকাস্টিং অকুপেশনাল সারভাইভেবিলিটি অব রিকশাপুলারস ইন আ চেঞ্জিং ক্লাইমেট উইদ ওয়্যারেবল ডেটা।

২০২৫ সালের ডিসেম্বরে আন্তর্জাতিক সাময়িকী ‘প্রসিডিংস অব দ্য এসিএম অন ইন্টারঅ্যাকটিভ, মোবাইল, ওয়্যারেবল অ্যান্ড ইউবিকুইটাস টেকনোলজিস’-এ গবেষণাটি প্রকাশিত হয়। এটি করেছেন ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া সান ডিয়েগো, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় এবং কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা। গবেষণার সঙ্গে যুক্ত আছেন যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার গবেষক মাসফিকুর রহমান।

“বৃহত্তর অর্থে, আমরা মানুষের প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকার সক্ষমতার একটি ‘ডিজিটাল টুইন’ বা ভার্চ্যুয়াল প্রতিরূপ তৈরি করতে চাই। রিকশাচালকদের নিয়ে এই গবেষণা সেই বৃহৎ উদ্যোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।”

গবেষণার জন্য ঢাকার ১০০ জন পুরুষ রিকশাচালকের কাছ থেকে বাস্তব সময়ে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। তাঁদের হাতে সেন্সরযুক্ত ডিভাইস পরানো হয়েছিল যা শরীরের তাপমাত্রা, হৃৎস্পন্দন, ঘামের প্রতিক্রিয়া ও নড়াচড়ার তথ্য সংগ্রহ করতে সক্ষম। পাশাপাশি বাতাসের তাপমাত্রা, আর্দ্রতা ও যাত্রাপথের তথ্যও নেওয়া হয়।

বাংলাদেশে তাপপ্রবাহ নিয়ে আলোচনা বাড়ছে কিন্তু শ্রমজীবীদের শরীরে তার বাস্তব প্রভাব নিয়ে তথ্যভিত্তিক গবেষণা খুব সীমিত। ওয�

Leave a Comment