Uncategorized

ট্রাম্প চাইলেই কি কংগ্রেসকে দিয়ে জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের আইন পাল্টে দিতে পারবেন

ট্রাম্পের অভিবাসন নীতি সুপ্রিম কোর্টের রায়ে বাতিল হয়ে গেল ট র ম প চ ইল ই - যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব প্রতিষ্ঠা

Desk Uncategorized
Published July 2, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

ট্রাম্পের অভিবাসন নীতি সুপ্রিম কোর্টের রায়ে বাতিল হয়ে গেল

ট র ম প চ ইল ই – যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব প্রতিষ্ঠা করার আইন পরিবর্তনের প্রচেষ্টা প্রতিকূল ভাবে স্বাক্ষর করেছেন। গত মঙ্গলবার কংগ্রেসের নীতি বাতিল করার প্রস্তাবে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিরা মোট ৬-৩ ভোটে ট্রাম্পের নীতি সমর্থন করেননি।

আইনটি দাবি করেছিল যে অভিভাবকদের মর্যাদা নিশ্চিত করে না এমন শিশুরা জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পাবে না। ট্রাম্পের আদেশ অনুযায়ী কোন শিশু যদি তার পিতামাতার স্থায়ী অবস্থান ছাড়া বৈধ কাগজপত্র না থাকে, তাহলে তার জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে না। প্রেসিডেন্ট এই নীতি দ্বারা অবৈধ অভিবাসীদের সম্ভাব্য ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষা করেছিলেন।

সংবিধানে জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের স্পষ্টতা

সুপ্রিম কোর্টের রায় স্পষ্ট করে দেখায় যে নাগরিকত্বের সীমা সংবিধান দ্বারা নির্ধারিত। বিচারপতি জন রবার্টস তাঁদের রায়ে লিখেছেন:

‘সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনীর প্রণেতারা এ দেশের প্রতিটি স্বাধীনভাবে জন্ম নেওয়া মানুষের জন্য এই অধিকার নিশ্চিত করেছিলেন। আজও আমরা সেই অঙ্গীকার রক্ষা করছি।’

বর্তমান আইন অনুযায়ী শিশুরা তাদের পিতামাতার অভিবাসন মর্যাদা যেমনই হোক না কেন, যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে জন্ম নেওয়া ক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নাগরিকত্ব পাবে। এ নীতি জুস সোলি বা ভূমির অধিকারের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। বিপরীত দিকে রয়েছে জুস স্যাঙ্গুইনিস বা রক্তের অধিকার নীতি, যেখানে শিশুর জন্মস্থান বরং পিতামাতার মর্যাদা নির্ধারক।

সুপ্রিম কোর্টের রায় দেখায় যে প্রেসিডেন্টের নির্বাহী ক্ষমতা নয়, সংবিধান নাগরিকত্বের সীমা নির্ধারণ করে। ট্রাম্প নাগরিকত্ব সীমিত করার লক্ষ্য অর্জনে কংগ্রেসে নতুন আইন পাস করার প্রস্তাব দিয়েছেন।

ট্রুথ সোশ্যাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘আমাদের দেশের জন্য ব্যয়বহুল ও অন্যায্য জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের অবসান ঘটাতে কংগ্রেসের আজ থেকেই কাজ শুরু করা উচিত। এ ক্ষেত্রে তারা আমার পূর্ণ ও নিঃশর্ত সমর্থন পাবে।’

আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠিত মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিলের বিষয়টি ট্রাম্পের প্রধান অগ্রাধিকার ছিল। সালিসিটর জেনারেল জন সাওয়ার আদালতে যুক্তি দেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের এখতিয়ারের অধীন’—এই বাক্যাংশ অনেক অভিবাসী গোষ্ঠীকে বাইরে �

Leave a Comment