ট্রাম্পের নিশানা আবারও ইরানের প্রধান তেলকেন্দ্র ‘খারগ দ্বীপ’, কী আছে সেখানে
ট র ম প র ন শ – যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সামরিক তাণ্ডব চালু হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল বৃহস্পতিবার ঘোষণা করেছেন যে তিনি ইরানের খারগ দ্বীপসহ অন্যান্য তেল প্রতিষ্ঠান দখল করতে চান। মার্কিন সরকারের গোয়েন্দা তথ্যের সঙ্গে পরিচিত সূত্রগুলো বলেছে যে ইরান দ্বীপটি সম্পূর্ণ আক্রমণের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।
খারগ দ্বীপটি ইরানের সামগ্রিক তেল সরবরাহের মূল কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত হয়। এ স্থানে আয়তনে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যানহাটান শহরের প্রায় এক তৃতীয়াংশ ছাপা রয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তারা সেখানকে সম্পূর্ণ তেল বিতরণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্থান হিসেবে বর্ণনা করেন। প্রতিদিন এর মাধ্যমে ইরান অপরিশোধিত তেল রপ্তানি করে।
‘খুব দূরের নয়—এমন এক সময়ে আমরা খারগ দ্বীপসহ অন্যান্য তেল অবকাঠামো দখল করব। ভেনেজুয়েলার মতো তাদের তেল ও গ্যাস বাজারের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ আমরা নিয়ে নেব।’
যুক্তরাষ্ট্র প্রতিটি অপারেশনের সময় দ্বীপটি হামলার কাজ চালিয়েছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা আইইএ জানিয়েছে যে হরমুজ প্রণালি ছাড়া অন্য রপ্তানি পথগুলি সীমিত। গত মার্চে রয়টার্স বলেছিল যে দ্বীপে ইরানের প্রায় ৩ কোটি ব্যারেল তেল সংরক্ষিত রয়েছে।
ইরানি বিশেষজ্ঞরা অনুমান করেছেন যে খারগ দ্বীপ ধ্বংস করা হলে দেশটির অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পর্যাপ্ত ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বিমানবিধ্বংসী ম্যানপ্যাডস এবং সামরিক সংস্থার স্থাপনা দ্বীপটিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমি প্রতিরক্ষার জন্য অবস্থান করেছে।
গত মার্চে সিএনএন এবং ট্রুথ সোশ্যাল ভিডিওতে দেখা গেছে যে দ্বীপে বোমাবর্ষণের ফলে বিস্ফোরণ ঘটছে। ইসরায়েলের বিরোধীদলীয় নেতা ইয়ার লাপিদ বলেছিলেন যে তেল টার্মিনালটি ধ্বংস করা হলে ইরান শাসনের পতন ঘটতে পারে।
ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ গত মার্চে জানান যে ইরান শত্রুদের সহায়তার মাধ্যমে দ্বীপটি আক্রমণের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে কোনো দ্বীপের নাম উল্লেখ করেননি।
