ট্রাম্পের এইচ-১বি ভিসা আবেদন ফি বাতিল হয়েছে আদালতের নির্দেশে
ট র ম প র এইচ ১ব – সোমবার এক ফেডারেল বিচারক দ্বারা বাতিল করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে এইচ-১বি ভিসার জন্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপ করা এক লাখ ডলারের আবেদন ফি। আদালতের রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে যে কোম্পানিরা বিশেষায়িত ক্ষেত্রে উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন বিদেশি কর্মীদের নিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন নীতি আরোপ করার কোনো অনুমতি প্রেসিডেন্টের ছিল না।
বোস্টনে কর্মরত এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আমলে নিয়োগ পাওয়া বিচারক লিও সোরোকিন মামলাটি নিষ্পত্তি দিয়েছেন। তিনি বলেন, “এইচ-১বি আবেদনের ওপর কর আরোপ করার কোনো ক্ষমতা বা অর্পিত এখতিয়ার প্রেসিডেন্টের ছিল না।”
বিচারকের বিশ্লেষণ এবং আইনগত দাবি
ট্রাম্পের আইনী পদক্ষেপ অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে বাতিল করা হয়েছে। তিনি বিশ্বাস করেন যে এই ভিসার মাধ্যমে বিদেশি পেশাজীবীদের কাজ করার সুযোগ দেয়া হয়েছে যেসব ক্ষেত্রে আরও বেশি দক্ষতা প্রয়োজন। আবেদনকারীদের যোগ্যতা হিসেবে স্নাতক ডিগ্রি বা সমমানের যোগ্যতা থাকতে হবে।
বিশেষ আইনগুলো অনুসারে এই ধরনের বাধ্যবাধকতা কেবল কংগ্রেসের স্বাধীনতা রয়েছে।
এই আবেদন ফি আরোপের প্রচেষ্টার প্রতিক্রিয়ায় গত ডিসেম্বরে ডেমোক্রেটিক স্টেট অ্যাটর্নি জেনারেলদের একটি জোট মামলাটি দায়ের করে। বিচারক প্রশাসনের দাবি প্রত্যাখ্যান করেন যে ফেডারেল অভিবাসন আইনে প্রেসিডেন্টের কর আদায়ের ক্ষমতা রয়েছে।
বিচারক বলেন, আইনগুলোতে কোথাও কংগ্রেস অভিবাসনের ক্ষেত্রে কর আদায়ের অনুমতি প্রেসিডেন্টকে দেননি। ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী এই নীতি পরিবর্তনের কারণে আবেদন ফি আরোপের ক্ষমতা প্রেসিডেন্টের ছিল।
এইচ-১বি ভিসার মেয়াদ সাধারণত তিন বছর হয়ে থাকে, যা পুনরায় তিন বছরের জন্য নবায়ন করা যায়। অর্থনীতিবিদরা যুক্তি দিয়ে আসছেন যে এই কর্মসূচিটি মার্কিন কোম্পানির প্রতিযোগিতা ধরে রাখতে এবং ব্যবসার প্রসারে সাহায্য করে, যা যুক্তরাষ্ট্রে আরও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে।
বিচারক সোরোকিন আদালতের নির্দেশে অর্থনীতিবিদদের দাবি প্রত্যাখ্যান করেন, যে কোনো বিশেষায়িত ক্ষেত্রে কর্মসূচির পরিবর্তন প্রেসিডেন্টকে স্বাধীনতা দেয়।
এ
