ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পদক্ষেপ ও জোরপূর্বক শ্রম মোকাবিলার প্রতিক্রিয়া
জ রপ র বক শ রম ঠ – যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধির দপ্তর প্রস্তাব করেছে একটি শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা, যা বিশ্বের ৬০টি দেশের পণ্যের ওপর শতাংশের মধ্যে ১০ থেকে সাড়ে ১২ শতাংশ অতিরিক্ত কর আরোপ করতে চায়। এই পদক্ষেপের পরিণতি দাসত্বের বিরুদ্ধে কার্যকর হবে কি না, তা বিশেষজ্ঞদের মতে সন্দেহজনক। বিশেষ করে কর্মসংস্থানের দৃষ্টিতে এই নীতির কোনো উপযোগিতা নেই বলে মনে করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট গত ফেব্রুয়ারিতে আগের জরুরি শুল্ক বাতিল করেছিল। তবে নতুন কর আরোপ করার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রতি সংশ্লিষ্ট দেশগুলো বিরোধী মনঃকামনা প্রকাশ করেছে। তারা জোরপূর্বক শ্রমের খুব বেশি সম্পর্ক নেই বলে মনে করেছে।
আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার তথ্য
আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, বিশ্বে জোরপূর্বক শ্রমের শিকার হয়েছেন প্রায় ২ কোটি ৭৬ লাখ মানুষ, যা ২০১৬ সালের তুলনায় প্রায় ২৭ লাখ বেশি। এ শ্রমের প্রায় অর্ধেক বেসরকারি খাতে রপ্তানিমুখী শিল্পে ব্যবহৃত হয়েছে। উৎপাদন, নির্মাণ, কৃষি ও মৎস্য খাতগুলো এর অংশ।
বাণিজ্যিক অভিযোগ ও বিশ্বাসযোগ্যতা
বাণিজ্য অংশীদারদের দৃঢ় মত হলো নতুন শুল্ক পদক্ষেপে জোরপূর্বক শ্রম মোকাবিলার সমাধান খুব সীমিত। তাদের মতে, কর আরোপের যুক্তিমাত্র দাসত্ব বিরোধী আন্দোলন নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হবে না। এই বিষয়ে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো কিছু আপত্তি প্রকাশ করেছে।
“আধুনিক দাসত্বের প্রতি কোনো শুল্ক পদক্ষেপের কোনো অর্থ হয় না।” – ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্সের উপমহাসচিব অ্যান্ড্রু উইলসন
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সংঘটনা
ট্রাম্পের নতুন কর আরোপে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বিশেষ নজর কেড়েছে। ইইউ দ্বারা গৃহীত বিধিমালা অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এ বিধিমালা মানদণ্ড বিশেষ কঠোর করেছে। কার্যকর হওয়ার আগে অভিযোগের যথেষ্ট ও বিশ্বাসযোগ্য ভিত্তি প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
“ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের এ সিদ্ধান্ত অযৌক্তিক। আগের চুক্তি মোতাবেক ইউরোপীয় �
