জুলাইয়ের চেতনা বাস্তবায়নে সরকারের ‘সংশয়–অবজ্ঞা’ দেখছে সুজন
জ ল ইয় র চ তন ব – জুলাইয়ের চেতনা বাস্তবায়নে সরকারের প্রতি সংশয় ও অবজ্ঞার ছাপ দেখা যাচ্ছে। আজ রোববার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে সুজনের আয়োজিত ‘বর্তমান সরকারের চার মাস: প্রত্যাশা, অর্জন ও করণীয়’ গোলটেবিল বৈঠকে এই সংশয়ের পরিচয় পেয়েছিলেন সুজনের প্রতিনিধি। সরকার জুলাই সনদের প্রতি আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মান প্রকাশ করলেও কর্মকাণ্ডে তার নীরবতা ও সংশয় দেখছে সুশাসনের জন্য নাগরিক সুজন।
গণ–অভ্যুত্থানের প্রতি বাস্তবায়নে অবহেলা
বৈঠকে সুজনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী দিলীপ কুমার সরকারের পারফরম্যানস বিচার করতে হবে তিনটি প্রশ্নে। প্রথমত, সরকার কি জুলাই সনদের রাজনৈতিক ও নৈতিক তাৎপর্য স্বীকার করেছে? দ্বিতীয়ত, সনদ বাস্তবায়নের জন্য কোনো সময়সীমা, অগ্রাধিকার তালিকা বা প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়া তৈরি করেছে কি? তৃতীয়ত, সরকারের কর্মকাণ্ড কি জুলাইয়ের চেতনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নাকি ক্ষমতা গ্রহণের পর পুরোনো রাজনৈতিক আচরণের পুনরাবৃত্তি দেখা যাচ্ছে?
“১৯৭২ সালের সংবিধান অনুসরণ করলে জাতীয় নির্বাচন হওয়া উচিত ২০২৯ সালে। গণ অভ্যুত্থানের মাধ্যমে জনগণের রায়ের ভিত্তিতে সংবিধানের বিশেষ কিছু অংশ পরিবর্তিত হয়েছে।”
বৈঠকটি সঞ্চালন করেন সুজনের সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার। তিনি উপমা দিয়ে বলেন, কোনো গন্তব্যে পৌঁছাতে চাইলে সঠিক পথে যাত্রা করতে হয়। পুরোনো পথে হাঁটলে নতুন গন্তব্যে পৌঁছানো সম্ভব নয়; বরং পুরানো আচরণের পুনরাবৃত্তি দেখছে সরকার।
জুলাইয়ের চেতনা ও জাতীয় সংসদের ভূমিকা
জুলাইয়ের চেতনার মূল লক্ষ্য ছিল জাতীয় সংসদ দ্বারা সংবিধানের পরিবর্তনের সময়সীমা নির্ধারণ করা। সুজন মন্তব্য করেন যে সরকার জাতীয় সংসদের উচ্চ কক্ষ গঠনের প্রতি নীরবতা প্রকাশ করছে। গণ অভ্যুত্থানের প্রতি বাস্তবায়নে অবহেলা দেখছে সংশয়ের আবেদন। সরকারের এই অবস্থানকে ইতিবাচক লক্ষণ বলা যায় না।
সংবিধান বিষয়ক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হয়েছে এবং সুজন দাবি করেন যে সরকারের কাছে এই সনদের গুর�
