চোখের সামনে দুর্ঘটনায় স্বামীকে হারিয়েছেন বর্ষা, একমাত্র সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তায়
চ খ র স মন দ র – রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার নাগপাড়া গ্রামে বসবাস করে একটি আত্মীয়ের বাড়িতে যাওয়ার পথে এক মোটরসাইকেলে চালনা করছিলেন নাজমুল হোসেন (২৬)। তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী বর্ষা খাতুন (২২) এবং আড়াই বছরের মেয়ে আফসা খাতুন। ঈদের দুই দিন আগে ভবানীগঞ্জ-আত্রাই সড়কের নাগপাড়া মোড়ে দুর্ঘটনার সংঘটন ঘটে। সেই দুর্ঘটনার ফলে নাজমুল হোসেন মুখ ও বুকে গুরুতর আঘাত পেয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। এ সময় তাঁর স্ত্রী বর্ষা খাতুন আহত হন এবং তাঁকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি বাবার বাড়ি যোগীপাড়া গ্রামে অবস্থান করছেন। শরীরে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়, চোখ ও মুখে বিষণ্নতার ছাপ লেগেছে। এখন তাঁর একমাত্র সন্তান আফসা খাতুন এবং নিজের সুস্থতা নিয়ে প্রতিদিন ভেবে ভেবে কাটছে তাঁর দিনগুলি।
পরিবারের জীবনের পরিবর্তন
নাজমুল হোসেন বাগমারা উপজেলার নাগপাড়া গ্রামের আবদুর রশিদের ছেলে। সংসারের দায়িত্ব মূলত তিনি পালন করতেন। তাঁর মা হাসিনা বেগম (৫১) বলেন, ছেলেকে হারিয়ে পরিবারের স্থিতিশীলতা বিস্ফোট হয়েছে। কীভাবে এখন পুত্রবধূ ও নাতনির চিকিৎসা চালাবেন, সেই কথাই তিনি স্মরণ করে বিষণ্নতার ছাপ দেখাচ্ছেন। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, “ছাওয়াল লিইয়্যা ঈদ করবো, তা আর হলো না। এমন ছাওয়াল কারোর হয় না। একন আমি কী লিইয়্যা বাঁচমু।” বর্ষা খাতুন এখন তাঁর মেয়ে আফসা খাতুনকে কীভাবে স্বাস্থ্য রক্ষা করবেন এবং নিজের চিকিৎসার সমস্যার মুখে আছেন।
ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ
গত ২৬ মে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বর্ষা খাতুন এবং আফসা খাতুন এবং নাজমুল হোসেন মোটরসাইকেলে রওনা হন। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল পরিবারের অন্য সদস্যের বাড়িতে পৌঁছানো। পথে ভবানীগঞ্জ-আত্রাই সড়�ের নাগপাড়া মোড়ে গুরুতর ঘটনা ঘটে। বিপরীত দিক থেকে আসা ট্রাকের সঙ্গে মোটরসাইকেলটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। ঘটনার পর নাজম�
