চুক্তি সইয়ের পরই কি হরমুজ প্রণালি খুলবে
চ ক ত সইয় র পরই ক – যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরান একটি শান্তিচুক্তি গ্রহণ করেছেন যুদ্ধের পর সম্মতি দিয়ে। দুই পক্ষের মধ্যে আগামী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তি সই হওয়ার কথা। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেন যে চুক্তি সইয়ের পর হরমুজ প্রণালি জাহাজ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত হবে।
ট্রাম্প গতকাল রোববার নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া টেলিফোন সাক্ষাৎকারে বলেন, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার পর জলপথটি স্থায়ীভাবে টোলমুক্ত থাকবে। তিনি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তিতে নিশ্চিত করে এটি ঘোষণা করেন।
আগে আশা করা হয়েছিল তারপর স্পষ্ট করা হয়েছে
প্রাকৃতিক গ্যাস ও জ্বালানি তেল বাণিজ্যের জন্য হরমুজ প্রণালি আন্তর্জাতিক মূল্যবান। এই জলপথ দিয়ে বিশ্বের প্রায় দুই দশমিক শতাংশ জ্বালানি পরিবহন করা হয়। এতে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর মার্কিন নৌ অবরোধ প্রত্যাহারের বিষয়ও রয়েছে।
পরবর্তী সময়ে ট্রাম্প স্পষ্ট করেন যে চুক্তি সই হওয়ার পর হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হবে। চুক্তির ১৪টি বিষয়ের বিস্তারিত প্রকাশ করেছে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম। এতে ইরানের বন্দরগুলো সম্পর্কে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে যে অবরোধ প্রত্যাহার করা হবে চুক্তির ৩০ দিনের মধ্যে।
আগামী শুক্রবার হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হবে এটি একটি আশা পুনরায় তুলে ধরেছে সংবাদমাধ্যম। তবে বিশ্ববাণিজ্যের জন্য কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি খুলে দেওয়ার কথা জানানো হয়েছিল ট্রাম্পের প্রাক্তন ঘোষণার পর থেকে।
যুদ্ধের বিষয়ে সম্মতি
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। ইরান পাল্টা জবাব দেয় এবং অঞ্চলজুড়ে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে। গত ১৩ এপ্রিল ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ অবরোধ আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। এর ফলে জাহাজ আসা-যাওয়া কার্যত বন্ধ হয়ে যায়।
ইরানের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ওয়াশিংটন-তেহরান সম্ভাব্য চুক্তির খসড়া সম্পর্কে তথ্য দেন। ট্রাম্প এই প্রণালি খোলার পর ইরানের সঙ্গে চুক্তি সম্মতি দেওয়ার কথা জানান তাঁর ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্টে। পোস্টে তিনি লিখেছেন, এই ‘মহান চুক্তি’ পুরো অঞ্চলে শান্তি ও নিরাপত্তা বয়ে আনবে।
যদি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চূড়ান্ত পারমাণব
