Uncategorized

গ্রামেই কার্যক্রম চলছে দেড় শ বছরের আদালতের, বদলে গেছে চিকন্দীর জীবন

চিকন্দী গ্রামে চলছে দেড় শত বছরের আদালতের কার্যক্রম গ র ম ই ক র যক - শরীয়তপুর জেলার সদর উপজেলার চিকন্দী গ্রামে এখনও চলছে দেড় শত বছর বয়সের একটি আদালতের

Desk Uncategorized
Published May 28, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

চিকন্দী গ্রামে চলছে দেড় শত বছরের আদালতের কার্যক্রম

গ র ম ই ক র যক – শরীয়তপুর জেলার সদর উপজেলার চিকন্দী গ্রামে এখনও চলছে দেড় শত বছর বয়সের একটি আদালতের কার্যক্রম। এ আদালত প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৭২ সালে, যখন ব্রিটিশ শাসকরা সিনিয়র সিভিল জজ আদালত হিসেবে সেখানে কাজ শুরু করে। আদালতটি ব্রিটিশ আমলে নামে প্রথম মুন্সেফ আদালত হিসেবে পরিচিত ছিল, যেটি পরবর্তী সময়ে সাত-আট কিলোমিটার দূরে সরে আসে কীর্তিনাশা নদীর ভাঙনের কারণে। সেখানে গড়ে ওঠে একটি ছোট গোলপাতার ঘর পরবর্তী সময়ে দুটি ছোট পাকা ভবন।

আজকাল চিকন্দী আদালতের ক্যাম্পাসে মসজিদ, একতলা আদালত ভবন ও বিচারকদের স্থায়ী বাসস্থান রয়েছে। এছাড়া সেখানে হাটবাজার ও গ্রামগুলি অসংখ্য সংখ্যক হাজির হয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়, উচ্চবিদ্যালয়, পোস্ট অফিস ও ইউনিয়ন ভূমি অফিস সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে।

আদালতের বর্তমান অবস্থা

বর্তমানে আদালতটিতে দুজন বিচারক কাজ করছেন। সদর ও জাজিরা আদালতের কার্যক্রম চালু রয়েছে। তাদের সহায়তার জন্য আদালতের প্রশাসনিক বিভাগে সাবেক কর্মকর্তারা একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। বর্তমানে এ আদালতে প্রতিদিন বিচারকাজ চলছে।

ফাহিমা আক্তার বলেন, এ আদালত ব্রিটিশ শাসন আমল থেকে আছে। পাকিস্তান-ভারত স্বাধীন হওয়ার পর ভূমিকা পরিবর্তন হয়নি। জেলা স্থাপিত হওয়ার পরও এ আদালত চিকন্দীতে রাখা হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানের তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে আদালতটিতে মামলার সংখ্যা প্রতিদিন বাড়ছে। বছরে প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০ মামলার বিচারকাজ শেষ হয়। তবে এ আদালতটি আদালতের সেবা আদান-প্রদান করতে সমস্যা হয়নি।

সার্বিক প্রভাব

চিকন্দী সিনিয়র সিভিল জজ আদালতের কার্যক্রম থাকায় গ্রামের সামাজিক ও আর্থিক জীবনে বিশেষ পরিবর্তন দেখা যায়। নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল ও অর্থঋণ আদালত সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সম্প্রতি স্থাপন করা হয়েছে।

আবদুল মান্নান তালুকদার বলেন, এ আদালত ব্রিটিশ শাসকদের প্রতিষ্ঠা করা। আইন পেশায় কর্মজীবন শুরু করার সময় এখানে বিচারকাজ সম্পন্ন করা হয়।

নবীন আইনজীবী হাফিজুর রহমান বলেন, চিকন্দী গ্রামে আদালত থাকায় সম্পূর্ণ এলাকার জীবন বদলে গেছে। তিনি বলেন, ছোট বয়সে আদালতের পাশে পড়ালেখা করেছিলেন এবং এখানে কর্মজীবন শুরু করেছেন।

রুবায়েত আনোয়ার বলেন, আদালতটি বিচার প্রক্রিয়ায় সুস্থ হার রয়েছে। মামলার জট কম। বিচারক, আইনজীবী ও সেবাপ্রার্থীরা নির্বিঘ্নে কাজ করছেন।

Leave a Comment