গাবুরা বাজারের টমেটো, দৈনিক ৪ কোটি টাকার বেচাকেনা
গ ব র ব জ র র – আবার দিনাজপুর জেলার গাবুরা বাজার গ্রীষ্মকালীন টমেটোর সবচেয়ে বৃহৎ হাট হয়ে উঠেছে। প্রতিদিন এখানে ছয় থেকে সাত ট্রাক টমেটো বিক্রি হয় দেশের বিভিন্ন বাজারে। পরিমাণে দৈনিক কেনাবেচা ৩ থেকে ৪ কোটি টাকার মধ্যে রয়েছে। ভোর থেকে বিকেল পর্যন্ত এই হাটে ক্রেতা-বিক্রেতা এবং শ্রমিকদের হার্ট করছে টমেটো বাছাই, মোড়কজাত করা ও ট্রাক বোঝাইয়ে।
উৎপাদন সংক্রান্ত তথ্য
গাবুরা বাজার ছাড়া দিনাজপুরের আর কোনো হাট দুর্দান্ত বিক্রয় সাধ্য করছে না বলে জানান স্থানীয় ব্যবসায়ী শফি উদ্দিন। তিনি রাজবাড়ী থেকে টমেটো সংগ্রহ করেন এবং প্রতিদিন নিয়মিত ছয় ট্রাক সরবরাহ করেন। এগুলো সিলেট, কুমিল্লা, রাজবাড়ী ও চট্টগ্রামে পৌঁছে। গ্রীষ্মকালীন টমেটোর প্রধান উৎপাদনকেন্দ্র হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দিনাজপুর সদর বাজারে।
গত শুক্রবার মানভেদে দেখা গেল আড়তে টমেটো বাছাই ও প্যাকিংয়ের কাজ চলছে। অনেক শিক্ষার্থী এই কাজে যুক্ত হয়েছেন। তাঁদের দৈনিক আয় ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা। একজন কর্মী সামিউল ইসলাম বলেন, প্রতিদিন দিনে ২৫০ ক্রেট টমেটো প্যাকিং করে পায় ৩০০ টাকা।
বাজারের দুই পাশে গড়ে ওঠা সব দোকান টমেটোর কমলা রঙে রঙিন হয়ে আছে। এখানে কৃষকদের সাহায্য করতে একটি এজেন্ট শ্রেণি তৈরি হয়েছে। গাবুরা বাজার ঘিরে চাষি ও আড়তদারদের নিয়ন্ত্রণে বিক্রয় হচ্ছে টমেটো।
টমেটো বিক্রয় প্রতিদিন
খবর প্রতিদিন এই বাজার থেকে আসা টমেটো বিক্রি হয় ১ হাজার টাকা থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকার মধ্যে। প্রতি মণের গড় দাম এক হাজার টাকা। সেচ, সার, ড্রেনেজ ও কীটনাশকের খরচ মিলিয়ে প্রতি বিঘায় প্রতি মণ টমেটো উৎপাদিত হয়েছে।
“গত কয়েক বছরে উৎপাদন বাড়ছে গ্রীষ্মকালীন টমেটোর আবাদ। আবাদ শুরু হয় ডিসেম্বর মাসে। মার্চ থেকে ফলন আসা শুরু হয়। জুন পর্যন্ত বাজারে পাওয়া যায় এসব টমেটো।”
তাতে প্রতি বিঘায় প্রতি কেজি টমেটোর দাম ৩৭-৩৮ টাকা হয়। পরিবহন সহ অন্যান্য খরচ মিলিয়ে দাম ৪৫-৪৭ টাকায় চলছে। ঢাকার বাজারে প্রতি কেজি দাম ৬০-৮০ টাকা।
কৃষকদের আগ্রহ বৃদ্ধি
এক বিঘায় ৩০০-৪০০ মণ টমেটো উৎপাদিত হয়। গত শুক্রবার কৃষক আরাফাত হোসেন বলেন, আধা বিঘা জমিতে চাষ করেছেন। ফলন ১৭০ মণ হয়েছে। চাষে খরচ ৩০ হাজার টাকা। বিক্রি করে পেয়েছেন দেড় লাখ টাকা। লাভ কয়েক গুণ হয়েছে।
টমেটো আবাদ শুরু হয় পঞ্চগড়ে। কিন্তু এখন গাবুরা বাজার পঞ্চগড়ের চেয়ে বেশি আবাদ হয়েছে। মো. আফজাল হোসেন,
