গরমেও কেন ঠান্ডা লেগে যায়? উপসর্গ দেখা দিলে কী করবেন
গরম ও ক ন ঠ ন ড – যেমন সর্দি, নাক বন্ধ, গলাব্যথা, গলা খুসখুস করা ইত্যাদি বিভিন্ন চিহ্ন গরমে ও বর্ষায় দেখা দিতে পারে। কী কারণে এই প্রকার প্রতিক্রিয়া ঘটে এবং রোগ থেকে বাঁচতে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে তা বিশ্লেষণ করা হল। ধানমন্ডির পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ও সহকারী অধ্যাপক ডা. সাইফ হোসেন খান এর সঙ্গে কথা বলে লিখেছেন রাফিয়া আলম।
অনেক সময় ঠান্ডা লাগা শীতের মুখে শুধুমাত্র হয় না
ঠান্ডা লেগে যাওয়া কেবল শীতের সময়ের সমস্যা নয়। গরমে বা বর্ষার সময়েও ঘটতে পারে। এর পেছনে অনেকগুলি কারণ রয়েছে। সুতরাং বছরের প্রতিটি মুহূর্তে সচেতন থাকুন। বিশেষত শিশু ও বয়োজ্যেষ্ঠদের জন্য সতর্কতা বজায় রাখুন।
যেমন শীতে অনেকে সহজে ঠান্ডা লাগে তবে গরমে বা বর্ষায় ঘটে এমন সমস্যা কেবল শীতের মুখে হয় না। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে পানিশূন্যতা এবং আবহাওয়ার তাপমাত্রা পরিবর্তন বিশেষ করে সংক্রমণের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে।
গ্রীষ্মে পানিশূন্যতা হলে নাকের আর্দ্রতা কমে যেতে পারে। জীবাণু সহজে প্রবেশ করার জন্য বাতাসে বিশেষ করে শুষ্ক আবহাওয়ায় ধুলা বা ফুলের রেণু আক্রমণ করতে পারে। যেমন আবহাওয়ার একটি পরিবর্তনে বেশি সময় ভেজা অবস্থায় থাকলে রোগের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।
যেমন এসির কারণে তাপমাত্রা কম হতে পারে। সেই কারণে শরীরের সামনে আসা সময়ে সাবধান থাকুন। একটি পরিবর্তন হলে আপনার শরীরের ভেতরে তাপমাত্রা কম হতে পারে। গরম থেকে ঠান্ডায় বা ঠান্ডা থেকে গরমে গেলে সংক্রমণের সম্ভাবনা বেড়ায়।
ঠান্ডা পানি বা খাবার খাওয়ার সময় শরীর ভেজা হলে সমস্যা দেখা দিতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে এই প্রক্রিয়াটি জ্বর সহ অন্য কিছু চিহ্ন সৃষ্টি করতে পারে। পরিবর্তনশীল আবহাওয়ায় ঘুম কম হলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পায়।
সর্বোপরি প্রতিরোধের উপায় গুলো
ঘুম কম হলে সময় নিয়ে আবহাওয়া বদল করুন। হাঁচি ও কাশির আদবকেতা বজায় রাখুন। বাইরে যাওয়া বা শিশুদের জন্য মাস্ক ব্যবহার করুন। শরীরের শুষ্কতা দূর করতে পর্যাপ্ত পানি খাওয়া জরুরি।
মৌসুমি ফলমূল ও টাটকা শাকসবজি খাওয়া সুপ্রতিরোধ করে। খুব গরমে ঠান্ডা খাবার খাওয়া হলে গলা ব্যথা ও কাশি হতে পারে। অন্যদিকে ঠান্ডা জিনিস খেতে পারেন যখন আপনি কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে দাঁড়াবেন। অ্যালার্জি থাকলে সেগুলি এড়িয়ে চলা ভালো।
ঘাম বা বৃষ্টির কারণে শরীর
