গণমাধ্যমের আস্থা কমেছে, সত্যনিষ্ঠ প্রচারে ফিরে আসতে হবে: কাদের গণি
গণম ধ যম জনগণ র আস থ – গত ১৭ বছরে দেশের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো এবং মানবাধিকার লঙ্ঘন সম্পর্কে খবর সঠিক ভাবে প্রকাশিত হয়নি, ফলে গণমাধ্যম জনগণের আস্থা হারিয়েছে বলে মন্তব্য করেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী। তিনি এই মত পোষণ করেন রোববার পলিটিক্যাল রিপোর্টার্স ফোরামের (পিআরএফ) সদস্যদের জন্য প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) আয়োজিত ‘এআই, ফ্যাক্ট-চেকিং ও সাংবাদিকতার ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে।
সত্যের প্রতি দায়িত্বশীল প্রভাব
“সাংবাদিকতার মূল শক্তি হলো সত্য। সত্যের অনুসন্ধান থেকে বিচ্যুত হওয়ায় গণমাধ্যমের প্রতি মানুষের আস্থা কমেছে। অনেক ক্ষেত্রে দেশের খবরের জন্য জনগণকে বিদেশি সংবাদমাধ্যমের ওপর নির্ভর করতে হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন যে, অপসাংবাদিকতা, হলুদ সাংবাদিকতা এবং স্বার্থপর প্রচারণা দ্বারা সাংবাদিকতার মর্যাদা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কাদের গণি চৌধুরী মন্তব্য করেন, একসময় যে পেশা মানুষের কাছে অত্যন্ত সম্মানজনক ছিল, এখন তা নিয়ে বিপ্লবের ধারণা তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ভূমিকা নেওয়া ছাড়া এ অবস্থা পরিবর্তন হবে না।
অপর পক্ষে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির প্রভাব নিয়ে কাদের গণি চৌধুরী বলেন, প্রযুক্তি নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে বলে পরিচিত, কিন্তু এর অপব্যবহারও বেড়েছে। বিশেষত ভুয়া ছবি, ভিডিও এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে জনমত প্রভাবিত করার চেষা দেখা যাচ্ছে। তিনি সাংবাদিকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন।
অনুষ্ঠানটি পিআইবির মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সদস্যদের উপস্থিতিতে পলিটিক্যাল রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি খোন্দকার কাওছার হোসেন বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। পিআরএফ-এর প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মো. মহসিন হোসেন সার্বিক সহযোগিতায় অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করেন। রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আরিফুল ইসলাম আরমান, জামিল খান এবং আবু সুফিয়ান। বক্তারা বলেন যে পরিবর্তিত বিশ্ব পরিস্থিতিতে ফ্যাক্ট-চেকিং এবং এআই প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারে গণমাধ্যমের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে।
