ভয়ের সংস্কৃতি ক্যাম্পাসে আবার ফিরে এলো
ক য ম প স ভয় র – ফ্যাসিবাদী শাসনের একটি মূল উপাদান ছিল ভয়ের সংস্কৃতি। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসগুলো ছিল সেই সংস্কৃতির প্রতিষ্ঠা করা স্থান। গণরুম-গেস্টরুমে গোলটেবিল আলোচনার মাধ্যমে ছাত্রদের ভিন্নমত দমন করা হতো এবং প্রতিরোধের শক্তি বিভক্ত হয়ে যায়।
জুলাইয়ের প্রতিকূল পরিবেশ
আগের জুলাইয়ে সারা দেশে বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা ছিল, কিন্তু এখন সেই একত্ব বিনষ্ট হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনামলে ছাত্র সংসদে নিপীড়ন পুনরাবৃত্তি হয়েছে, এবং ছাত্র-শিক্ষকদের মধ্যে ভয়ের আবহ ফিরে এসেছে।
বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক ক্যাম্পাসে আবার আক্রমণের ব্যবস্থা করছে। প্রেশার গ্রুপ নামে নীতিগুলো পুলিশিং করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের ওপর নতুন আক্রমণের ধারা বিস্তার পেয়েছে।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিনদের পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়েছে, ছাত্র সংসদের নেতা কোনো কোনো সময় উদীচী ও ছায়ানটে হামলার ডাক দিয়েছেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের ওপর সাংবাদিক প্রতিশ্রুতি দিয়ে হামলা ঘটেছে, এবং বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন অংশগ্রহণ করেছে।
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য পরিবর্তন ছাড়া নতুন পরিস্থিতি দেখা গেছে। এ ছাড়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন ছাত্রী নিয়ে ছিক্ষকের ন্যাক্কারজনক মন্তব্য ঘটেছে, কিন্তু তার পুনরাবৃত্তি মুখ্য সরকারের অনুমোদনে দেখা গেছে।
পরিস্থিতির মূল্যায়ন
শিক্ষক নেটওয়ার্কের মূল্যায়ন অনুযায়ী, অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসে ছাত্র সংসদ সম্পর্কে পরিবর্তন হয়নি। হাসিনার আমলে চালু হওয়া শাসন তৈরি করেছে অপরাধের নতুন ক্ষেত্র।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক রুশাদ ফরিদী বলেন, ছাত্র সংসদে হকার উচ্ছেদ থেকে শুরু করে শিক্ষকদের হেনস্তা করা হয়েছে। নানা সময়ে শাহবাগে মব করে শিক্ষার্থীদের মারধর ঘটেছে।
যারা সততার কথা সব সময় বলে, তারা কতটা অসৎ—আমি তার প্রত্যক্ষ সাক্ষী।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোহাম্মদ তানজীমউদ্দিন খান বলেন, শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়ায় ভয়ের বিস্তার ঘটেছে। ক্যাম্পাসে ছাত্র-শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান হামলা ঘটছে।
তিনি আরো বলেন, ছাত্র সংসদের নির্বাচিত সদস্যদের স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের কাজ আক্রমণ করা হয়েছে। অন্তর্বর্তী �
