কেউ করছিলেন মাদক সেবন, কেউ খেলছিলেন জুয়া, ১৩ জনের কারাদণ্ড
ক উ করছ ল ন ম দক – চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার শীলকূপ ইউনিয়নে গতকাল শুক্রবার রাতে ক উ করছ ল ন ম বিরুদ্ধে একটি জোরদার অভিযান চালানো হয়েছিল। পুলিশ ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের সমন্বয়ে এ অভিযানের ফলে ১৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড করা হয়েছে। মাদক সেবনের সময় ৬ জনকে আটক করা হয় এবং মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে অনলাইনে জুয়া খেলার দায়ে আরও ৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশের বিশেষ অভিযান এবং আদালতের কার্যক্রম সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য জানা যাক।
অভিযানের প্রক্রিয়া ও ফলাফল
বাঁশখালী উপজেলায় ক উ করছ ল ন ম দ্বারা চালিত মাদক ও জুয়া গন্ডগোল নিয়ন্ত্রণের জন্য ভ্রাম্যমাণ আদালত গঠন করা হয়। এ অভিযানে পুলিশ সদস্যদের সাথে সহযোগিতা করে স্থানীয় অঞ্চলে ক্রমাগত বিশেষ কার্যক্রম চালানো হয়। অভিযানটি কেন্দ্রীয় এলাকায় নিয়ে আসা হয়েছে যেহেতু সেখানে নার্কোটিক ও জুয়া কেন্দ্রিক অপরাধের প্রাধান্য ছিল। এ কার্যক্রমের ফলে শীলকূপ ইউনিয়নে গত কয়েক মাসে নেওয়া হয়েছিল বেশির ভাগ ক্রমাগত মাদক ও জুয়া গন্ডগোল দমনের জন্য।
ক উ করছ ল ন ম সংক্রান্ত অপরাধের প্রতি কঠোর তৎপরতা দেখা গেল এই অভিযানে। পুলিশ সদস্যদের বিশেষ সাহায্যে গুপ্ত অভিযান চালানো হয়েছে, যাতে মাদক সেবনের সাথে জুয়া খেলার ক্ষেত্রেও প্রতিক্রিয়া নেওয়া যায়। প্রতিটি অপরাধীর বিরুদ্ধে তথ্য সংগ্রহ ও গ্রেফতার করা হয় কর্মসূচির মাধ্যমে। আদালত বিশেষ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে সংগঠিত অভিযানের মাধ্যমে তাঁদের প্রতি তৎপরতা বৃদ্ধি করতে।
কারাদণ্ডের বিস্তারিত তথ্য
মাদক সেবনের দায়ে কারাদণ্ড পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন মো. আবদুল কাদের (৪২), মো. আবুল বশর (২৯), নুরুল আমিন (৪৪), মো. আজিজ (২০), মো. ছাবের আহমেদ (৩৪) ও মো. আলাউদ্দিন (৪৫)। তাঁদের মধ্যে আবদুল কাদের, আজিজ ও ছাবেরকে তিন মাস এবং অন্যদের দুই মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ঘোষণা করা হয়েছে। জুয়া খেলার দায়ে কারাদণ্ড পাওয়া ব্যক্তিরা মো. দিদারুল আলম (২২), আজগর হোসেন (৩২), সাহাব উদ্দিন (৩০), আব্দুল জব্বার (৫৫), আব্দুল গফুর (৩০), মনছুরুল হক (৪০) ও মো. মোজাফফর আহমদ (৪২)। দিদারুল আলমকে ছয় মাস, আজগর হোসেনকে তিন মাস এবং অন্যদের দুই মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এ অভিযানে আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতিটি অপরাধী
