Uncategorized

কুষ্টিয়া সীমান্তের শূন্যরেখায় থাকা ১২ জনকে ৭৮ ঘণ্টা পর ফিরিয়ে নিল বিএসএফ

কুষ্টিয়া সীমান্তে শূন্যরেখার আলে পুশ ইন চেষ্টার শিকার ১২ জনকে বিএসএফ ফিরিয়ে নিল ক ষ ট য় স ম ন - বৃহস্পতিবার সকালে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর

Desk Uncategorized
Published June 15, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

কুষ্টিয়া সীমান্তে শূন্যরেখার আলে পুশ ইন চেষ্টার শিকার ১২ জনকে বিএসএফ ফিরিয়ে নিল

ক ষ ট য় স ম ন – বৃহস্পতিবার সকালে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর সীমান্তে বিএসএফ একটি পুশ ইন অপারেশন চালায়। বাংলাদেশি সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দারা তাঁদের প্রবেশ বাধা দেন। এ অপারেশনে শিকার হওয়া ১২ জনকে পরিচয় যাচাই করা হয়। তাঁদের মধ্যে চারজন শিশু রয়েছে।

আগে বিএসএফ সদস্যরা বিজিবির সদস্যদের নাগরিকত্ব পরিচয় যাচাই করেনি। ফলে বর্তমান সময়ে দুই দেশের মধ্যে বিতর্ক চালু হয়। ওই ১২ জন কাটা তিন দিন শূন্যরেখায় অবস্থান করে। তাঁদের জীবন দুর্বিষহ হয়ে পড়ে। খাবার সহ বিভিন্ন সমস্যার মুখে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা কিছু খাবার পৌঁছে দেন।

পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেয়ার পর বিএসএফ তাঁদের ভারতে নিয়ে গেছে বেলা ১১টার দিকে। কুষ্টিয়া ৪৭ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল প্রথম আলোকে জানান যে বর্তমানে সীমান্তবর্তী সব এলাকা শান্ত রয়েছে।

গত শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে এ অপারেশন শুরু হয়। কুষ্টিয়া সীমান্তে ওই ১২ জন বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে বিএসএফ। এ সময় কুষ্টিয়া সীমান্তে আবারও পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের পর বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তাঁদের শূন্যরেখা থেকে ভারতের ভূখণ্ডে নিয়ে যাওয়া হয়।

বিজিবির পক্ষে কুষ্টিয়া ৪৭ বিজিবি উপ-অধিনায়নক নুরুল হুদার নেতৃত্বে প্রতিনিধিদল অংশগ্রহণ করে। বিএসএফ পক্ষে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রানীনগর কোম্পানি কমান্ডার এসি সুনীল কুমার যাদব প্রতিনিধিদল নিয়ে আসেন।

পতাকা বৈঠকের পর দীর্ঘ ৭৮ ঘণ্টা পর সেই ১২ জন বাংলাদেশে ফেরত পান। তাঁদের স্বাভাবিক অবস্থার সূচনা হয়। বাংলাদেশি সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দারা প্রতিনিধি দল ছাড়াও কাজ করেছেন বলে জানান লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল।

Leave a Comment