কুষ্টিয়ায় দুই মহিষের ওজন ৪০ মণ, ১৪ লাখ টাকায় বিক্রির আশা
যদুবয়রা ইউনিয়নে প্রাণী পালন করছেন স্থানীয় খামারি
ক ষ ট য় য় দ ই – যদুবয়রা ইউনিয়নের জোতমোড়া বড় জামে মসজিদের সামনে বাঁশবাগানে দুটি মহিষ বাঁধা রয়েছে। এগুলো সবসময় পাকা টিন ঘরে রাখা হয়। উষ্ণতার কারণে মাথার উপর বৈদ্যুতিক পাখা চালু রয়েছে। দৈনিক দুই-তিনবার গোসল করানো হয়। যখন তাপমাত্রা বেশি হয় তখন বাড়ির সামনে বাঁশবাগানে বেঁধে রাখা হয়। কখনো মহিষ দুটি বড় পুকুরের পানিতে ঝুলিয়ে রাখা হয়।
বাসার হোসেন বলেন, দুই মহিষের বয়স চার বছরের বেশি। তাদের প্রতিদিন খড় ও কাঁচা ঘাসের পাশাপাশি ১৭ কেজি খাবার দেওয়া হয়। যেহেতু তাদের দেহে আকৃতি ও ওজন বেশি, কিন্তু মহিষ খুব শান্ত স্বভাবের। ন্যায্য দাম পেলে তাদের বিক্রি করে প্রায় চার-পাঁচ লাখ টাকা লাভের আশা রয়েছে।
খামারি শাজাহান হোসেন বলেন, তিন বছর আগে দুই মহিষ বিক্রি করে ভালো লাভ হয়েছিল। সে কারণে এবার কোরবানির ঈদের আগে ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকায় দুটি মহিষ কেনা হয়েছিল। দৈনিক খরচ প্রায় ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা। যদুবয়রার জোতমোড়া খামারে দুই ছেলে সহায়তা প্রদান করছেন। মহিষ দুটি প্রায় ৮ ফুট দৈর্ঘ্য ও আট ফুট উচ্চতার। উজ্জ্বল আকারের দুটি মহিষ দেখতে ভিড় করছে স্থানীয় মানুষ।
খামারি শাজাহান হোসেনের আরেক ছেলে তুষার হোসেন বলেন, আকৃতি ও ওজন বেশি হলেও মহিষ খুব শান্ত প্রাণী। সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক খাবার দিয়ে তাদের লালনপালন করা হচ্ছে। আশা করা হচ্ছে ন্যায্য দাম পেলে দুই মহিষ বিক্রি করে সম্পূর্ণ মোট প্রায় ১৪ লাখ টাকা পাওয়া যাবে। এর মাধ্যমে আবার মহিষ কিনে বড় খামার তৈরি করার স্বপ্ন দেখছেন খামারি বাবু।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী কোরবানির ঈদের আগে কুমারখালী উপজেলায় মাত্র ১৯টি মহিষ হৃষ্টপুষ্ট করা হয়েছে। এছাড়া মোট ৩ হাজার ৫৯৭টি খামারে ৩০ হাজার ৫৭৯টি পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। বর্তমানে পশু চাহিদা প্রায় ১৮ হাজার হয়েছে, যা গত বছর প্রায় ১৫ হাজার ছিল।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেন বলেন, সঠিক পরিচর্যা করতে পারলে মহিষ পালন অধিক লাভজনক। গরু ও ছাগল
