দুটি বিশ্বকাপে ভলান্টিয়ার হওয়ার সুযোগ পেলেন সিলেটের এই তরুণ
ক ভ ব পরপর দ ট ব – আবজল আহমেদ দ্বিতীয়বার ফুটবল বিশ্বকাপে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ব্রাজিল বনাম মরক্কোর ম্যাচে তিনি হসপিটালিটি ভলান্টিয়ার হিসেবে কাজ করেছিলেন গোলাপগঞ্জের এই তরুণ। ফাইনাল ও অন্যান্য ম্যাচে মাঠে থাকবেন তিনি। তাঁর দায়িত্ব মূলত ভিআইপি অতিথি, সাবেক খেলোয়াড় এবং গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের আতিথেয়তা দেওয়া ছিল।
অভিজ্ঞতার প্রথম পদক্ষেপ
বিশ্বকাপে ভলান্টিয়ার হওয়ার সুযোগ আবজল পেয়েছিলেন প্রথম বারের পর থেকে। কাতারে বেশ কয়েক বছর ধরে থাকেন তিনি। তখন দেশে প্রথম আলো বন্ধুসভার সদস্য ছিলেন। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রমেও যুক্ত হতে শুরু করেন। ফিফার সঙ্গে প্রথম কাজের অভিজ্ঞতা হয় ২০২১ সালে আরব কাপের মাধ্যমে।
আমার দায়িত্ব ছিল আবেদনকারীদের পরীক্ষা করা, যোগ্য প্রার্থীদের চয়ন করা এবং অনুমোদনের জন্য তালিকা পাঠানো। সেই সময় প্রায় ২০ হাজার ভলান্টিয়ারের নিয়োগপ্রক্রিয়ায় একটি দলের সদস্য ছিলাম।
তিনি বলেছিলেন, এবারের বিশ্বকাপে ভলান্টিয়ার নেওয়ার প্রক্রিয়া গত বছর শুরু হয়েছিল। ফিফার খবর পেয়ে আগস্ট মাসে আবেদন জমা দেন আবজল। জানুয়ারিতে ট্রাইআউটের আমন্ত্রণ পান।
অনেকেই এটাকে ইন্টারভিউ বলতে পারেন। তবে বাস্তবে এটা ছিল একটি গ্রুপ ব্রিফিং সেশন। ফিফার প্রতিনিধিরা আমাদের ২০২৬ বিশ্বকাপ সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য দেন। কতজন আবেদন করেছে, কতজন ভলান্টিয়ার নির্বাচন করা হবে, কোন স্টেডিয়ামে কতজন থাকবে, ভলান্টিয়ারদের কী কী সুবিধা দেওয়া হবে, ইউনিফর্ম, খাবার ও পরিবহনসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছিল।
ই–মেইলের মাধ্যমে পরামর্শ পেয়ে আবজল ভলান্টিয়ার হিসেবে কাজের নিশ্চয়তা পান। ৫ জুন নিউইয়র্কে নেমে সোজা ফিফা ভলান্টিয়ার ওয়ার্কফোর্স সেন্টারে চলে যান তিনি। ইউনিফর্ম ও অ্যাক্রিডিটেশন সংগ্রহ করেন সেখান থেকে। এখন তিনি নিউ জার্সির পেটারসনে অবস্থিত।
মানুষ সম্পর্কে নতুন অভিজ্ঞতা
আবজল বলেছিলেন, ‘স্বেচ্ছাসেবকদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা নিজ উদ্যোগে করতে হয়। তবে ম্যাচের দিন খাবারসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ফিফাই দেয়।’
এবারের বিশ্বকাপে প্রায় ২১১ টি দেশ থেকে স্বেচ্ছাসেবক হওয়ার আবেদন জমা পড়েছিল। ভিসা ও অন্যান্য জটিলতার কারণে আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবকের সংখ্যা তুলনামূলক সীম
