Uncategorized

‘কাকে বলবেন দোর খোল, কে চোখ খুলবে’

‘কাকে বলবেন দোর খোল, কে চোখ খুলবে’ ক ক বলব ন দ র খ - বিশাল মর্গের মাঝখানে সাদা কাফনে মোড়ানো ছোটো শিশুদের মরদেহ আঁকড়ে ধরে নারী-পুরুষ ধীর পায়ে পথ ধরেছেন।

Desk Uncategorized
Published May 24, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

‘কাকে বলবেন দোর খোল, কে চোখ খুলবে’

ক ক বলব ন দ র খ – বিশাল মর্গের মাঝখানে সাদা কাফনে মোড়ানো ছোটো শিশুদের মরদেহ আঁকড়ে ধরে নারী-পুরুষ ধীর পায়ে পথ ধরেছেন। তাঁদের মুখে গভীর বিষাদের ছায়া পড়েছে। ফুল হয়ে ফুটে ওঠার আগে কুঁড়িতেই ঝরে গেছে বড্ড অসময়ে। সন্তান হারানো শোকে তাঁরা মুহ্যমান হয়ে আছেন।

আজ শনিবার বিকেলে রাজধানীর কাঁটাবন মোড়ে নাট্যসংগঠন প্রাচ্যনাট করেছিল একটি বিশেষ প্রতিবাদী আয়োজন। সেই আয়োজনে শিশুদের প্রতীকী মরদেহ বহন করে যাচ্ছেন নাট্যকর্মীরা। এই পরিবেশনার কারণ হামে আক্রান্ত হয়ে হাজার হাজার শিশু মৃত্যুর ঘটনা। চলতি বছরের মার্চ মাসে হামের দেখা দেয় দেশে। ক্রমে তা প্রাদুর্ভাবে রূপ নেয়। শনিবার সর্বশেষ মৃতের সংখ্যা ৫২১।

প্রাচ্যনাটের প্রধান আজাদ আবুল কালাম বলেন, সাংস্কৃতিক কর্মী হিসেবে সামাজিক দায়িত্ববোধ থেকে তাঁরা শিশুমৃত্যুর ঘটনার প্রতিবাদ ও চিকিৎসা অবহেলার বিচার দাবি করেছেন।

প্রাচ্যনাট সামাজিক সংকট প্রতিবাদে সোচ্চার হয়ে এসেছে বরাবর। কনকর্ড এম্পোরিয়াম শপিং কমপ্লেক্স থেকে শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে পর্যন্ত দীর্ঘ যাত্রা করে নাট্যকর্মীরা শিশুমর্গ পরিবেশনা করেছেন। তিনটি রিকশাভ্যানে সাজানো হয়েছিল প্রতীকী মর্গ। ভ্যানের মাঝখানে লাল চক্ষু মেলে থাকা বিশালকায় হামের জীবাণু আছে। তার পাশে স্তূপাকার শিশুদের কাফনে মোড়া মরদেহ। নম্বর লেখা মরদেহগুলোতে করে নাট্যকর্মীরা বলেন, ‘এই শিশুদের মেরে ফেলা হয়েছে।’ ‘হামে শিশুদের মৃত্যু এক মর্মান্তিক গণহত্যা’।

পরিবেশনার সঙ্গে সঙ্গে মৃদুস্বরে বাজানো হয়েছিল কবিতা এবং গান। উদাহরণস্বরূপ, ‘ভোর হলো দোর খোলো’ এবং ‘নোটন নোটন পায়রাগুলো’ পরিবেশনার অংশ। শিশুতোষ কবিতা বাজানো হয় যাত্রাপথে আবেগময় পরিবেশ সৃষ্টি করে।

পরিবেশনার শেষে শিশুমর্গ আবার যাত্রা করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে স্বোপার্জিত স্বাধীনতা ভাস্কর্যের সামনে। এখানে ছিল শেষ পরিবেশনা। প্রতিটি স্থানে অনেক কৌতূহলী দর্শক সমাগত হয়ে এই প্রতিবাদ

Leave a Comment