করনীতির জটিলতায় থমকে যাচ্ছে ফ্র্যাঞ্চাইজি বিনিয়োগ
করন ত র জট লত য় থমক – আন্তর্জাতিক ফ্র্যাঞ্চাইজি কোম্পানিগুলোর জন্য রয়্যালটি, লাইসেন্স মাশুল এবং প্রযুক্তি সহায়তা বাবদ করহার যৌক্তিক পর্যায়ে নামিয়ে আনতে হবে। এ নীতিগত পরিবর্তনের ফলে এখন সম্প্রসারিত হওয়া সম্ভাবনা কম নয়। কিন্তু বর্তমান করকাঠামো বিনিয়োগের জন্য সহজ হয় না।
বাংলাদেশ এখন এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। আন্তর্জাতিক মানের প্রযুক্তি ও সেবা সংস্থাগুলো এখন বাজারে আগ্রহী হচ্ছে। কিন্তু আগ্রহ প্রকাশ করার পর তারা সহজে বিনিয়োগ করতে পারছে না। স্বচ্ছ করনীতি ও স্থিতিশীল প্রশাসনিক প্রক্রিয়া দরকার।
আন্তর্জাতিক ফ্র্যাঞ্চাইজি খাত বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রগতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাবনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এখন এখানে বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠী, দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে মধ্যবিত্ত শ্রেণী এবং বৈশ্বিক মানসম্পন্ন ভোক্তা বাজার দেখা যাচ্ছে। কিন্তু বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে সক্ষম হওয়ার জন্য আয়কর আইনের নীতিগত ঘূর্ণিতুঙ্গতা ও জটিলতা পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে।
বিশ্বের বৃহত্তম ফ্র্যাঞ্চাইজি ব্র্যান্ডগুলো বাংলাদেশে সফল ব্যবসার জন্য নীতি ও প্রক্রিয়া দেখে প্রবেশের আগ্রহ প্রকাশ করছে। কিন্তু বর্তমানে ব্যবসার প্রাথমিক পর্যায়ে কোম্পানিগুলো প্রতিবন্ধকতা সম্মুখীন হচ্ছে। এটি করহার ও নীতি দ্বারা গঠিত জটিলতা হতে পারে।
বাংলাদেশের অর্থনীতি বিশ্বব্যাপী ডলার সংকট, বেকারত্ব ও বিনিয়োগের স্থবিরতা গুরুতর চাপের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে। একটি আন্তর্জাতিক ফ্র্যাঞ্চাইজি ব্যবসায়ি প্রয়োজন হয় স্বচ্ছ করনীতি। প্রায় ১৭ কোটির ভোক্তা বাজার, দ্রুত বিস্তার পেয়েছে মধ্যবিত্ত শ্রেণী এবং নগরকেন্দ্রিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবা খাতে বিনিয়োগ আকর্ষণের সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। কিন্তু প্রশাসনিক প্রতিবন্ধকতা ও করনীতির অনিশ্চয়তা বিদেশি বিনিয়োগকারীদের নিরুৎসাহিত করছে।
আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ৫৫(ঙ) অনুযায়ী ব্যবসায়িক টার্নওভারের ৬ শতাংশ বা নিট মুনাফার ১৫ শতাংশ মধ্যে যে অংশ বিনিয়োগকারীদের প্রদান করা হয়, তাকে সীমাবদ্ধ ব্যয় হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। ফলে ব্যবসার প্রাথমিক পর্যায়ে ক্ষতি হলেও কর পরিশোধ করতে হয় এমন আর্থিক প্রভাব পড়ছে।
বিশ্বের বড় বড় ব্র্যান্ডগুলো বাংলাদেশে বাজার পরিচালনার জন্য নীতি ও প্রক্রিয়া দেখে সিদ্ধান্ত নেয়। এর মাঝখানে বাংলাদেশ পিছনে পড়ে আছে। শুরুতে ব্যবসার �
