এলএনজি টার্মিনালে রক্ষণাবেক্ষণ, কমেছে গ্যাসের সরবরাহ
এলএনজ ট র ম ন ল রক – বাংলাদেশে এলএনজি টার্মিনালের সংক্রমণে দেশব্যাপী গ্যাসের সরবরাহ কমে গেছে বলে জানানো হয়েছে। কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত দুটি ভাসমান টার্মিনাল কম পরিমাণে এলএনজি আমদানি করছে, যা গ্যাস সরবরাহের পরিমাণ কমাতে সহায়তা করেছে। শনিবার দুপুরে একটি টার্মিনালে রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামত কাজ শুরু হয়েছে, যার ফলে সারা দেশে প্রতিদিন ব্যবহার করা হওয়া গ্যাসের সরবরাহ কমে গেছে। এটি প্রতিবেশী অঞ্চলে চুলা জ্বালানো সমস্যার জন্ম দিয়েছে, যার প্রতিক্রিয়া জনসাধারণের দ্বারা লক্ষ্য করা হচ্ছে।
এলএনজি টার্মিনালে মেরামত কাজ ও গ্যাস সরবরাহের পরিবর্তন
বাংলাদেশ তেল, গ্যাস, খনিজ সম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা) জানিয়েছে যে দুটি এলএনজি টার্মিনাল বর্তমানে সাধারণত প্রতি দিন ৯৫ থেকে ১০০ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করত। কিন্তু শনিবার দুপুর থেকে দুটি টার্মিনালে রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শুরু হওয়ায় সেই সংখ্যা স্থায়ীভাবে কমে ৮৫ কোটি ঘনফুট হয়ে গেছে। এ বিষয়ে পেট্রোবাংলার সচিব ব্যবস্থাপনা কমিশনার সুব্রত মুখোপাধ্যায় একটি বিজ্ঞপ্তিতে বলেছেন যে সরবরাহ হ্রাসের কারণ হল টার্মিনালের অসম্পূর্ণ কাজ এবং সামগ্রিক সরবরাহ ব্যবস্থা পরিবর্তন। তিনি ঘোষণা করেছেন যে সংক্রমণের পরিমাণ আশা করা হচ্ছে এলএনজি টার্মিনালে আমদানি কম হওয়ার কারণে সেই সরবরাহ হ্রাস হচ্ছে।
পেট্রোবাংলার বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে যে এলএনজি টার্মিনালে সংঘটিত সমস্যার কারণ হল বিদ্যুৎ সরবরাহ ও জল সরবরাহের ব্যবস্থা। কর্মীদের ত্রুটিগুলি সংশোধনের জন্য মেরামত কাজ চলছে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের সমস্যা দেশব্যাপী প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে এবং বিভিন্ন কর্মশালায় প্রতিবেশী অঞ্চলের গ্যাস সরবরাহ হ্রাস হওয়ায় গ্রাহকদের অসুবিধা হচ্ছে।
গ্যাস সরবরাহ হ্রাসের প্রতিক্রিয়া এবং আর্থিক প্রভাব
এলএনজি টার্মিনালে সংক্রমণ হওয়ায় গ্যাস সরবরাহ হ্রাসের কারণে বাংলাদেশের আর্থিক ব্যবস্থা প্রভাবিত হচ্ছে। গ্রাহকদের জন্য আমদানি গ্যাস সরবরাহ কমে গেছে যার ফলে রান্নার জন্য চুলা জ্বালানোর সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ ও জল সরবরাহের সমস্যার কারণে এলএনজি টার্মিনাল কাজ করছে কম পরিমাণে। এ সমস্যার প্রতিক্রিয়া হিসাবে দেশে সরবরাহ পরিমাণ আশা করা হচ্ছে বৃদ্ধি পেতে পারে।
সরবরাহ হ্রাসের কারণ ও সমাধানের পরিকল্পনা
পেট্রোবাংলা এবং তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি সংশোধনের জন্য সংক্রমণ কাজ পরিচালনা করছে। সংক্রমণের সময় টার্মিনালে প্রতিদিন ৮৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস আমদানি হচ্ছে যা পূর্বে কমপক্ষে ৯৫ কোটি ঘনফুট ছিল। সংক্রমণ ব্যবস্থার কারণে বিভিন্ন অঞ্চলে গ্যাস বিতরণ কম হচ্ছে এবং এটি বিদ্যুৎ ও জল সংক্রমণ প্রক্রিয়ার প্রতিক্রিয়া হিসাবে সংঘটি�
