এক সপ্তাহের মধ্যে বেইজিংয়ে ট্রাম্প ও পুতিন, সি-র কাছে কার মর্যাদা কতটুকু
এক সপ ত হ র মধ য – চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে দুই বিশ্বনেতাকে স্বাগত জানালেন—প্রথমে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, পরে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। উভয় অভ্যর্থনায় বাহ্যিক সমানতা ছিল, কিন্তু কিছু সূক্ষ্ম পার্থক্য ছিল চোখে পড়ার মতো।
অভ্যর্থনার পার্থক্য
ট্রাম্পকে স্বাগত জানান চীনের ভাইস প্রেসিডেন্ট হান ঝেং, যে ক্ষেত্রে সরকারি কর্মকর্তার চেয়ে ব্যবসায়ীদের প্রাধান্য ছিল বেশি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন মার্কো রুবিওসহ মাত্র তিনজন মন্ত্রী, কিন্তু অ্যাপলের টিম কুক ও টেসলার ইলন মাস্ক সহ আট জন শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতা তাঁর পাশে ছিলেন। পুতিনের সফরে ছিলেন পাঁচ জন উপপ্রধানমন্ত্রী এবং আট জন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী।
যৌথ বিবৃতি এবং বৈঠক
ট্রাম্পের সফরে কোনো যৌথ বিবৃতি জারি করা হয়নি এবং বাণিজ্য কিংবা ইরান যুদ্ধ নিয়ে কোনো সমঝোতা আসেনি। তবে পুতিন-সি বৈঠকের পর প্রায় ১০ হাজার শব্দের একটি দীর্ঘ যৌথ বিবৃতি সই হয়। এতে পারমাণবিক নিরাপত্তা থেকে শুরু করে বন্য প্রাণী রক্ষার মতো বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত হয়।
ট্রাম্পকে কূটনৈতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের বিষয়ে মনোযোগ দেওয়া হয় নি, কিন্তু তাঁকে চীনের ঐতিহাসিক টেম্পল অব হেভেনে নিয়ে যাওয়া হয়। এখানে তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেন বিশাল গাছগুলির সামনে। পুতিনের সফর ছিল এক দিনের, যেখানে রাতে কেবল চায়ের আসরে দুই নেতা বৈঠক করেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও শিষ্টাচার
পুতিনের সফরের একটি আকর্ষণ ছিল একটি আলোকচিত্র প্রদর্শনী। সেখানে পুতিন সি-র সঙ্গে বন্ধুত্বের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন:
“একটি দিন আলাদা থাকা যেন তিনটি শরতের সমান বিচ্ছেদ।”
অন্যদিকে ট্রাম্পের স্বাগত জানান চীনের ভাইস প্রেসিডেন্ট হান ঝেং করেন। বাকি অংশটি মূলত সরকারি কর্মকর্তাদের দ্বারা করা হয়। সি চিন পিং আগে থেকে পুতিনের সঙ্গে পৌনে চোদ্দ বার সাক্ষাৎ করেছেন, কিন্তু ট্রাম্প চীন সফর করেছেন মাত্র দুবার।
রাশিয়া ও চীনের মধ্যে পৌনে চোদ্দ জন নথিপত্রে সই করা হয়েছে, কিন্তু বড় কোনো বাণিজ্যিক ঘোষণা হয়নি। ট্রাম্পের সম্মানে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় নৈশভোজটি টেলিভিশনে সরাসরি দেখানো হয়, যেখানে পুতিনের সফরে এরকম করা হয়নি।
বিশ্বনেতা সফরের সমাপ্তি
ট্রাম্পের বেইজিং সফরে কোনো বড় অর্জন আসেনি, কিন্তু পুতিন ও সি বৈঠকের পর তিনি কিছু সূক্ষ্ম বিষয় প্রকাশ করেছেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন
