এক পরামর্শ মেনেই ২৭ বছরের সুখী দাম্পত্য পেয়েছেন এই অভিনেতা
আর্মেন ভারতের সুখী সম্পর্কের রহস্য
এক পর মর শ ম ন ই আজ জুনের প্রথম দিন দক্ষিণ ভারতের প্রসিদ্ধ অভিনেতা মাধবনের ৫৬তম জন্মদিনে সাক্ষাৎকার বিষয়ে আলোচনা করা হয়। আলোচনার মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছিল তাঁর স্ত্রী সরিতা বিরজের প্রতি বিবাহের পর থেকে তাঁর সম্পর্কের সাফল্য এবং তাঁর কথার প্রতি অনুপ্রাণিত করা হয়েছে তাঁর সম্পর্কের বিশেষত্ব।
পরামর্শ কোন ভাবে অনুপ্রেরণা দেয় দাম্পত্য সম্পর্কে
মাধবন ঘোষণা করেছেন যে তাঁদের সুখী দাম্পত্য জীবনের রহস্য সম্ভবত এক পর মর শ ম ন ই নে পরামর্শের প্রতি যে উপলক্ষে তাঁর স্ত্রীকে কাছাকাছি রাখা হয়। তিনি বলেন যে দম্পতির সম্পর্ক সীমিত করতে পারে কঠিন পরীক্ষার মুখে হওয়ার কারণে বিশেষ করে অভিনয় জগতে দীর্ঘ সময় ব্যক্তিগত দূরত্ব তৈরি করে।
তাঁর কথার মধ্যে বলা হয়েছে যে তাঁর স্ত্রী কখনো একাকী বোধ করেন না। তিনি অনেক সময় তাঁকে সাথে নিয়ে চলেন। এটি তাঁর মতে সম্পর্কের সুখ রক্ষা করেছে এবং দুঃখের কারণ হতে পারে না।
১৯৯১ সালে কোলহাপুরে মাধবন ব্যক্তিগত বিকাশ ক্লাস নিতেন। তখন তিনি সরিতা বিরজে নিজের ছাত্রী ছিলেন। অভিনেতা এই সময় বিমান বালা হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। প্রশিক্ষণের পর তিনি বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।
৪১ বছর পর তাঁদের দাম্পত্য জীবনের সূত্র থেকে সম্পর্কের স্থিতি প্রমাণিত হয়। ২০০৫ সালে তাঁদের ছেলে বেদান্ত মাধবন জন্মগ্রহণ করেন, যিনি বর্তমানে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় ভারতের প্রতিনিধিত্ব করছেন। সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এক পর মর শ ম ন ই নে পরামর্শ তাঁদের সম্পর্ক কেবল সুখ দিয়েছিল না, কঠিন পরীক্ষার মুখেও তাঁদের সম্পর্ক দৃঢ় করেছিল।
‘আমরা অন্যদের মতো ঝগড়া করি। কিন্তু একে অপরকে গভীরভাবে সম্মান করি। এ কারণে আমাদের সম্পর্ক সুখী এবং প্রতিটি কঠিন সময়ে বৃদ্ধি পায়।’
অভিনেতা মাধবনের কথায় বোঝা যায় যে তাঁদের দাম্পত্য জীবনে এক পর মর শ ম ন ই নে পরামর্শ কার্যকর হয়েছিল এবং সম্পর্কের স্থিতি রক্ষা করেছিল।
অনেক সময় এক পর মর শ ম ন ই নে পরামর্শ দিয়েছিলেন যে সম্পর্কের সাফল্য নির্ভর করে সম্মান ও প্রেমে। তিনি বলেন যে দম্পতি পরস্পরের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলি থেকে পৃথক হতে চায় না। এটি তাঁদের বিবাহ সম্পর্কে সামঞ্জস্য রাখার ক্ষমতা দেয়।
