এক নাবিকের ছুরিকাঘাতে আরেক থাই নাবিক নিহত হয়েছেন
এক ন ব ক র ছ র – চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে মঙ্গলবার দুপুরে থাইল্যান্ডের পতাকাবাহী জাহাজ এমভি কেপিপি–০১ এ ঘটে গুরুতর ঘটনা। এ ঘটনায় এক নাবিকের ছুরিকাঘাতে আরেক থাই নাবিক মৃত্যুবরণ করেছেন। ঘটনার পরিচয় দেওয়া হলো যে দুই নাবিকের মধ্যে বিবাদ শুরু হয় জাহাজ ভাঙার পর কর্মসূচির সময়। সেই বিবাদ ছুরি দ্বারা আঘাতের মাধ্যমে আবহাওয়া হয়। মৃত নাবিকটি জাহাজে অয়েলার কাজে অংশগ্রহণ করছিলেন। সেই ঘটনার পর থেকে আইনি ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
অব্যাহত আঘাত ও ঘটনার প্রকৃত কারণ
চট্টগ্রাম বন্দর সূত্রে প্রকাশ পেয়েছে যে জাহাজটি আনা হয়েছিল ভাঙার কাজের জন্য। সেই কার্যক্রমে দুই থাই নাবিকের মধ্যে কথাবার্তা চালু হয়। তা ক্রমশ ক্রমবর্ধমান রান্নার কাজে ব্যবহৃত ছুরি দ্বারা আঘাতের পরিণতি নেয়। নিহত নাবিকটি রাফিফং ক্লাহান (৩০) নামে পরিচিত। তিনি নিহত হওয়ার সময় চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সেখানে তাঁর মৃত্যু ঘটে। এ ঘটনার পর আনোয়ারা থানা ও পতেঙ্গা থানা পুলিশের যুত্তে অভিযুক্ত নাবিক তুরাকর্ণ বুরুসিকে আটক করা হয়। এ নাবিকটি সামগ্রিক ঘটনার পর একটি সংকট তৈরি করেছিল।
এ ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্তের মাধ্যমে উঠে আসছে। আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জুবায়ের চৌধুরী আজ রাতে বলেন, নাবিকের মৃত্যু তাঁদের জানা হয়েছে। আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। তিনি আরো বলেন যে ঘটনার পর থেকে সামগ্রিক তদন্ত চালু করা হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া আরও পরিষ্কার হবার জন্য অব্যাহত রয়েছে। তদন্তে ঘটনার প্রকৃত বিবাদ বা সংঘর্ষের কারণ খুঁজে বার করা হচ্ছে।
আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জুবায়ের চৌধুরী আজ রাতে বলেন, থাইল্যান্ডের নাবিকের মৃত্যু তাঁদের জানা হয়েছে। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
আটক করা অভিযুক্ত ও নিহতের পরিবারের প্রতিক্রিয়া
অভিযুক্ত নাবিক তুরাকর্ণ বুরুসিকে আনোয়ারা থানা পুলিশের সমন্বয়ে আটক করা হয়। তিনি এখন আনোয়ারা থানায় জেরা করা হচ্ছে। ঘটনার পর থেকে আটক করা অভিযুক্ত নাবিকের বিরুদ্ধে প্রমাণ সংগ্রহ করা হচ্ছে। নিহত নাবিকটির পরিবার ঘটনার পর বেশ কিছু দিন পর বৈঠকে অংশ গ্রহণ করেছেন। তাঁদের দাবি হচ্ছে যে এ ঘটনার কারণ খুঁজে বার করা হচ্ছে। পরিবার এই ঘটনার উপর আবেগপূর্ণ বিশ্লেষণ করছেন �
