একজনকে ছয় বল খেলতে দিয়ে সতর্ক হয়ে যান লিটন
একজনক ছয় বল খ লত দ য় – লিটন দাস তাঁর ইনিংসের পর দর্শকদের প্রশংসা জানাতে করতালি করেন। যেহেতু তিনি মাঠ থেকে ড্রেসিংরুম পর্যন্ত যাওয়ার সময়টাতে করতালি বেষ্টন করেন। মুশফিকুর রহিম তো তাঁর পিঠ কেটে দিতে সিঁড়িতে নেমে এসেছিলেন। গুরুতর ঘটনার পর লিটন সংবাদ সম্মেলনে কথা বলতে আসেন।
লিটনের কথায়, সম্পূর্ণ ইনিংসে তাঁর রসিকতায় কোনও চিন্তা থাকে না। তিনি স্বাভাবিকভাবে প্রশ্নের উত্তরে বলেন, “একজনকে ছয় বল খেলতে দিয়েছিলাম, সে প্রথম বলেই আউট হয়ে গেছে। এরপর আমি আরও সতর্ক হয়ে গেছি, আমার খেলা লাগবে।” তবে সেঞ্চুরি ছোঁয়ার সময় দুশ্চিন্তা তাঁর জন্য আসেনি।
সেঞ্চুরির সঙ্গে সঙ্গী ছিল শরীফুল
নবম উইকেটে শরীফুল ইসলামের সাথে ৬৪ রানের জুটি বেঁধেছিলেন লিটন। সেখানে তাঁর রান ছিল ৫১। লিটন ৯৯ রানে অপরাজিত থাকার সময় শরীফুল হয়ে যান এলবিডব্লু। আম্পায়ারের বিরুদ্ধে রিভিউ নেবার সময়টাতে লিটনের তাড়া বেশি ছিল।
বিশেষ করে শরীফুলের পায়ে লাগার পর লিটন খুব টেনশনে ছিলেন। তিনি বলেন, “আমি ওকে বারবার বলছিলাম যে সামনের পায়ে খেলার জন্য, কারণ ও অনেক লম্বা।” যাইহোক তিনি পুরো ইনিংসে পাকিস্তানের বোলারদের সঙ্গে লড়াই চালিয়েছেন।
টেলএন্ডারদের আগলে রাখার চেষ্টা
লিটন বলেন, “যেহেতু পরপর দুইটা ইনিংসে আমি বাউন্সার দিয়ে আউট হয়েছি, তাদের কাছে এটাই সেরা অপশন মনে হয়েছে। কিন্তু আমি বাউন্সার উপভোগ করেছি।” পাকিস্তানের বিপক্ষে দুই বছর আগে রাওয়ালপিন্ডিতে তিনি দলকে ম্যাচে ফিরিয়েছিলেন। সে ম্যাচে ২৬ রানে ছয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
এবার তিনি বলেন, “টেস্টে আমার ভূমিকাটাই আলাদা। কোনো কোনো দিন টপ অর্ডাররা ওপর থেকে রান করছে। আমি ৬০–৭০ ওভারের সময় নামলাম, উইকেটে তখন বল ঘুরে আসে। আমার ক্রিকেটটাই এমন—যখন যে সময়টা আসবে, সে সময়টা উপভোগ করে খেলতে হবে।”
বিপর্যয় কাটিয়ে প্রথম ইনিংসে ২৭৮ রানে বাংলাদেশ ফেরত পেয়েছে
লিটনের সেঞ্চুরিতে বিপর্যয় কাটিয়ে দলের প্রথম ইনিংসে রেকর্ড রান ২৭ৈ করেছে বাংলাদেশ। তবে লিটন বলেন, “এই পিচ ঢাকার চেয়ে আলাদা। ওখানে বোলাররা সাহায্য পেয়েছে কারণ অনেক জায়গায় ফেটে গিয়েছিল। অসম বাউন্স ছিল। এখানে মনে হচ্ছে অনেক রান করা যাবে। আমরা যদি একটা জুটি পাই, তাহলে ৪০০–৪৫০ রান করতে পারব।”
খুররম শেহজাদ বলেন, “এই পিচ ঢাকার চেয়ে আলাদা। ওখানে বোলাররা সাহায্য পেয়েছে কারণ অনেক জায়গায
