মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে সরকারকে জবাবদিহি করতে হবে: আনু মুহাম্মদ
মানুষের ভোট প্রতি সরকারের দায়িত্ব গুরুতর
এই সরক র দ য়বদ ধ ম – বাংলাদেশের মানুষ যে সরকারকে নির্বাচনের মাধ্যমে চয়ন করেছে, তাদেরকে মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি করার বিষয়ে দায়বদ্ধ করতে হবে বলে আনু মুহাম্মদ জানিয়েছেন। অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ কর্মসূচির সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে গণপ্রতিবাদে কথা বলেন। গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটির আয়োজনে সংগঠিত এই সমাবেশে তিনি সরকারের নৈতিক দায়িত্ব সম্পর্কে কথা বলেন।
সরকার বাতিল করার দাবি এবং গণপ্রতিবাদের বিষয়ে আলোচনা
আনু মুহাম্মদ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চুক্তি করা জনবিরোধী কাজ। সরকার দায়বদ্ধ হয়েছে এবং চুক্তিটি পরিচালনার জন্য নিজেদের গুরুতর দায়িত্ব বোঝাতে হবে। তিনি জানান যে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের আদেশপত্র অনুসারে বাধ্য হয়েছে, কিন্তু তাদের নিজেদের কোনো বিষয় নিয়ে গুরুতর সমালোচনা হয়নি।
“সরকার যে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, তার বিপর্যয় দেশের জনগণের জন্য হতে পারে। তাদের কোনো কুণ্ঠা নেই এবং এই সরকার দায়বদ্ধ হবার প্রয়োজন ছিল।”
আনু মুহাম্মদ জানিয়েছেন যে বাংলাদেশ মার্কিন আদেশপত্র মেনে চলছে, কিন্তু স্বাধীন প্রতিবাদ সম্পর্কে তাদের কোনো জবাব নেই। বর্তমান সরকার দায়বদ্ধ হবার পরিবেশে জনগণ নৈতিক আন্দোলন করছে। চুক্তিটি বাতিল করার প্রয়োজন আছে বলে আনু মুহাম্মদ মনে করেন।
সংসদ সদস্যদের ভূমিকা এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলন
খোলাচিঠি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের স্পিকার এবং সংসদ সদস্যদের ভূমিকা সম্পর্কে কথা বলা হয়েছে। আনু মুহাম্মদ জানান, বাংলাদেশের সরকার দায়বদ্ধ হয়েছে এবং এটি একটি বিশাল অর্থনৈতিক চুক্তি। তিনি দাবি করেন যে এই চুক্তিটি দেশের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা জনগণকে বাধ্য করছে।
গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটির সদস্য মাহতাব উদ্দীন আহমেদ কর্মসূচি সঞ্চালন করেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে চুক্তির প্রতি সরকার দায়বদ্ধ হবার প্রয়োজন ছিল। সামাজিক অধিকার ও নৈতিক আন্দোলন বাড়ছে এবং দায়িত্ব বোঝানোর জন্য তাদের কোনো কার্যক্রম হয়নি।
প্রতিবাদে অংশ নেন বিশিষ্ট নাগরিকরা যেমন অধ্যাপক তানজীমউদ্দিন খান, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ মুশতাক হোসেন, উন্নয়ন অর্থনীতিবিষয়ক গবেষক মাহা মির্জা, নারী মুক্তি কেন্দ্রের সভাপতি সীমা দত্ত, লেখক এবং গবেষক পাভেল পার্থ, আক
