এআই ব্যবহার যৌন নিপীড়নে সতর্কতা, শিশু ছবি অনলাইনে বৃদ্ধির আশঙ্কা
এআই ব যবহ র কর য ন – এআই ব্যবহার যৌন নিপীড়নের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পেয়েছে, তাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিশুদের ছবি প্রকাশ করার সময় সতর্ক থাকা প্রয়োজন। যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সি (এনসিএ) এবং ইন্টারনেট ওয়াচ ফাউন্ডেশন (আইডব্লিউএফ) এর নতুন পরামর্শ প্রকাশ করেছে, যা এআই দিয়ে তৈরি শিশু যৌন নিপীড়নমূলক কনটেন্ট বৃদ্ধি মোকাবিলার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। তাদের সুপারিশ অনুসারে শিশুদের ছবি ছাড়াও নিজেদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অ্যাকাউন্টগুলো প্রাইভেট রাখা উচিত বা কেবল ‘ক্লোজ ফ্রেন্ডস’ গ্রুপের মাধ্যমে ছবি প্রকাশ করা ভালো হবে।
ব্যাপক বৃদ্ধির সাথে সম্পর্ক স্থাপন
এনসিএ এবং আইডব্লিউএফ জানায় যে গত বছর এআই দিয়ে তৈরি শিশু যৌন নিপীড়নমূলক কনটেন্টের পরিমাণ ১৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। তাদের মতে শিশুদের ছবি অসীম অধিকারে প্রকাশ করা সতর্কতার প্রয়োজন হয়। বিশেষ করে যখন অপরাধীরা অনুমতি ছাড়া ছবি হাতিয়ে নিয়ে এআই টুলের সাহায্যে যৌন নিপীড়নমূলক কনটেন্টে রূপান্তর করে। সেখানে ব্ল্যাকমেলারদের লক্ষ্য করা হয়েছে যেমন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ওয়েবসাইট।
‘অনলাইনে শিশু ছবি দেওয়া ক্ষেত্রে আমি নিজে খুবই সতর্ক থাকতাম, কারণ সেখানে কোনো নিরাপত্তি বা সুরক্ষা নেই।’ – ড্যান সেক্সটন, আইডব্লিউএফের প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা
বর্তমান বিশ্লেষণ অনুসারে গত বছর এআই দিয়ে তৈরি শিশু যৌন নিপীড়নমূলক কনটেন্টের সংখ্যা দুই হাজার ছয় শত ছবি ও ভিডিও তৈরি হয়েছে। এগুলো মূলত শিশুদের ছবি এবং সেলফি থেকে এআই টুল ব্যবহার করে বিকৃত করা হয়েছে।
অনুমোদন ছাড়া ছবি সরিয়ে ফেলার প্রক্রিয়া
পরামর্শে বলা হয়েছে শিশুদের ছবি সম্পূর্ণ অধিকারে ছাড়া কেবল কিছু নির্দিষ্ট ব্যক্তির কাছে প্রকাশ করা উচিত। অনুমোদন ছাড়া এআই টুল দিয়ে ছবি পরিবর্তন করা সম্ভব হতে পারে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পুরোনো ছবি খুঁজে বের করা প্রয়োজন এবং সেগুলো পরিচিতি করা যেতে পারে। এমন কনটেন
