Uncategorized

উঠে এল বাংলাদেশের টেকসই ও জলবায়ু-সহনশীল স্থাপত্যচর্চার চিত্র

উঠে এল বাংলাদেশের টেকসই ও জলবায়ু-সহনশীল স্থাপত্যচর্চার চিত্র বিশ্লেষণাত্মক প্রতিবেদন প্রকাশের অনুষ্ঠান উঠ এল ব ল দ শ র - বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাজধানী ঢাকার

Desk Uncategorized
Published May 26, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

উঠে এল বাংলাদেশের টেকসই ও জলবায়ু-সহনশীল স্থাপত্যচর্চার চিত্র

বিশ্লেষণাত্মক প্রতিবেদন প্রকাশের অনুষ্ঠান

উঠ এল ব ল দ শ র – বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাজধানী ঢাকার ধানমন্ডির বেঙ্গল শিল্পালয়ে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে ব্রিটিশ কাউন্সিল এবং বেঙ্গল ইনস্টিটিউট ফর আর্কিটেকচার, ল্যান্ডস্কেপস অ্যান্ড সেটেলমেন্টস দ্বারা প্রকাশিত সাসটেইনেবল আর্কিটেকচার প্র্যাকটিস শীর্ষক গবেষণাধর্মী বিশ্লেষণাত্মক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। স্থাপতি, নগর পরিকল্পনাবিদ, নির্মাণ খাতের কর্মী, গবেষক এবং নীতিনির্ধারকরা এ অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করেন।

গবেষণার উদ্দেশ্য ও সম্পাদন

প্রতিবেদনটি ব্রিটিশ কাউন্সিলের অর্থায়নে দেশের বিভিন্ন জায়গায় পরিচালিত একটি ব্যাপক গবেষণা প্রকল্পের ফল। বেঙ্গল ইনস্টিটিউট দ্বারা নেতৃত্ব দেওয়া এ প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশে সরকারি, বেসরকারি এবং তৃণমূল পর্যায়ে গড়ে ওঠা টেকসই এবং জলবায়ু-সহনশীল স্থাপত্যের বিষয়টি তুলে ধরা হয়। বিষয়টি সম্পর্কে নীতিগত পরামর্শ দেওয়া হয়েছে যাতে খাতটি বিকাশের সাথে সমান মানের স্বীকৃতি পেতে সাহায্য করবে।

প্রতিবেদনের মূল বিষয়গুলি

অনুষ্ঠানে আগামী প্রকাশনার আগে বক্তব্য দেন বেঙ্গল ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক কাজী খালিদ আশরাফ। তিনি উল্লেখ করেন যে টেকসই উন্নয়ন এখন চিন্তা ও আলোচনার একটি নতুন ধারা গঠন করেছে। মানুষ কীভাবে পৃথিবীর সাথে সম্পর্ক গড়ে তুলছে এবং বহু শতাব্দী ধরে ভিন্ন ভৌগোলিক ও জলবায়ু পরিস্থিতিতে স্থানীয় মাল ও সামাজিক সম্পদের সাহায্যে বসতি নির্মাণের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন তিনি।

‘টেকসই স্থাপত্য হল একটি মৌলিক চর্চা যেটি বহু শতাব্দী ধরে চলছে। মানুষ কীভাবে পৃথিবী সঙ্গে মিথস্ক্রিয়া করছে এবং কীভাবে বাস করছে তা নিয়ে আলোচনা চলছে। বর্তমানে আমরা যাকে টেকসই স্থাপত্য বলছি, সেটি আসলে অতীতের সেই প্রক্রিয়ার অনুসন্ধান হিসেবে আছে।’

প্রতিবেদন বিশ্লেষণের ভিত্তি

গবেষণায় বাংলাদেশের টেকসই স্থাপত্যের চর্চাগুলি বিশ্লেষণ করা হয়েছে যেগুলি তাদের বাসস্থান গড়ে তুলতে আরও সহনশীল ও উন্নয়নের প্রচেষ্টা দেখায়। তার উপর ভিত্তি করে একটি স্কোপিং রিপোর্ট, বিশেষ করে উদ্ভাবনী এবং টেকসই নকশার কয়েকটি কেস স্টাডি ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়াও এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের সুপারিশ ভিত্তিক একটি নীতিপ্রতিবেদন বিশ্লেষণের ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

আনুষ্ঠানিক প্রকাশনা আগে ব্রিটিশ কাউন্সিলের প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন। ডেপুটি ডিরেক্টর মারিয়া রেহমান বলেন, ‘বাংলা�

Leave a Comment