ঈদের ছুটিতে যাঁদের স্বপ্ন যায় না বাড়ি
ঈদ র ছ ট ত য দ – ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন ছুটির মধ্যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস খালি হয়ে গেছে। শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মচারীদের সবাই পরিবারের পাশে ফিরে গেছেন। হলগুলো এখন বন্ধ হয়ে আছে ক্যাম্পাসের প্রধান ফটক থেকে সর্বত্র আনসার সদস্যরা দাঁড়িয়ে আছেন। কিন্তু তাঁদের কাছে ছুটি গেছে না। রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব আর দেশপ্রেম তাঁদের দাঁড়িয়ে রয়েছে।
দায়িত্ব ছেড়ে না দেওয়া বাস্তবতা
কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ জোন মিলিয়ে বর্তমানে ৯৪ জন আনসার সদস্য ক্যাম্পাসের নিরাপত্তার জন্য নিয়োজিত। পকেট গেট থেকে সংস্থান না পেয়েও তাঁরা পরিবার ছেড়ে স্বার্থের জন্য স্থায়ী হয়ে আছেন। ঈদে পরিবারের সাথে ছুটি কাটানোর সুযোগ পেলেও তাঁদের দায়িত্বের কারণে তা ছেড়ে দেওয়া যায় না।
“দায়িত্ব রেখে যাওয়া যায় না। বাচ্চাদের বেশি মিস করি। ঈদে বাড়িতে থাকলে একসঙ্গে নামাজ পড়তে যেতে পারতাম,” বলেন আনিসুর।
“এটা আমাদের দায়িত্ব। তাই কষ্ট হলেও মেনে নিতে হয়। রোজার ঈদ করিনি, কোরবানির ঈদও এখানেই থাকতে হবে,” আনসার সদস্য ফরিদুল উল্লেখ করেন।
“গত ঈদও পরিবারের সঙ্গে করতে পারিনি। এবারও যাওয়া হচ্ছে না। এখানে আমরা যারা আছি, আমরাই পরিবারের মতো করে ঈদ পালন করি,” উল্লেখ করেন আরেক আনসার সদস্য।
ঈদের ছুটি হলেও ক্যাম্পাসের নিরাপত্তার জন্য সহকর্মীদের স্বপ্ন সম্পূর্ণ পূরণ হয়নি। তাঁদের মধ্যে অনেকে বলছেন, নেই বিদ্যুৎ সংযোগ, নেই ফ্যান, নেই আলো। দীর্ঘ ডিউটির পর তাঁদের ক্ষীণ শারীরিক অবস্থা ও বৃষ্টির সময় নিরাপত্তাকক্ষে পানি ঢুকে পড়ার পরিস্থিতি ক্যাম্পাসে রয়েছে। কুষ্টিয়া জোনের ক্যাম্পে শৌচাগার ব্যবস্থা করা হয়নি, তাঁদের ক্ষেত্রে মসজিদের শৌচাগার ব্যবহার করতে হয়।
দেশপ্রেম ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব তাঁদের নিষ্ঠার পরিচয় দিয়েছে। কিন্তু সংস্থান না পেয়ে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষদের ক্ষুব্ধতা ক্যাম্পাসে প্রতিদিন শোনা যায়। অতীতে সংবাদমাধ্�
