ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা কতখানি কার্যকর হবে
ইর ন য ক তর ষ ট – আগামীকাল ১৯ জুন শুক্রবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরের কথা আছে। এই ঘটনার মাধ্যমে উপসাগরীয় এলাকায় স্বস্তি ফেরার সম্ভাবনা জোরালো হয়েছে। কিন্তু তার কার্যকারিতা কতটা বাস্তবায়ন করা যাবে, সে বিষয়ে গভীর সংশয় রয়েছে।
ইরান যুদ্ধ শেষ করার জন্য শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে সমঝোতা পৌঁছেছে। ইরাক-ইরান আট বছরের যুদ্ধের পর থেকেই ইরান ভবিষ্যৎ সংঘাত এবং এর সম্ভাব্য পরিণতির জন্য মনস্তাত্ত্বিক ও সামরিক প্রস্তুতি নিয়েছিল। গত বছরের ১২ দিনের সংক্ষিপ্ত যুদ্ধে তারা তাদের সক্ষমতার একটি পরীক্ষা চালিয়েছিল। ওই যুদ্ধের ঘোষিত উদ্দেশ্য ছিল ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা কমিয়ে আনা।
ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে ইরানের পারমাণবিক ও সামরিক সক্ষমতা প্রায় ধ্বংস হয়েছে। কিন্তু মোসাদের প্রতিবেদন তার দাবির বিষয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে।
এই যুদ্ধে ইরান শুধু আত্মরক্ষায় সীমাবদ্ধ থাকেনি; বরং পাল্টা আক্রমণও চালিয়েছে উপসাগরীয় অঞ্চলে থাকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ঘাঁটি সম্পর্কে। ইসরায়েলকে বৈরুত অঞ্চলে আটকে রাখতে সক্ষম হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতেও একাধিকবার হামলা চালিয়েছে, যেখানে ইসরায়েলি উপস্থিতি ও তথাকথিত আয়রন ডোম প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়।
অন্যদিকে ওমানের সঙ্গে সমন্বয় করে ইরান হরমুজ প্রণালির ওপর কার্যত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে। এটি তাদের সামরিক কৌশলের একটি মাস্টারস্ট্রোক হিসেবে বিবেচিত হয়। ইরান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে একটি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে—প্রয়োজনে তারা যুদ্ধ চালিয়ে যাবে, কিন্তু আত্মসমর্পণ করবে না।
যুক্তরাষ্ট্র এই সংঘাতে নিরাপত্তা নিশ্চয়তার বিনিময়ে কমপক্ষে ২০ শতাংশ দাবি করবে কি না সে বিষয়ে অনিশ্চিততা রয়েছে। ইরান তার ইউরেনিয়াম অন্য কোনো দেশে হস্তান্তর করতে অনিচ্ছুক। তবে উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি সরিয়ে নেওয়া হবে কি না বা কোথাও প্রতীকী উপস্থিতি রাখা হবে কি না—এ নিয়েও মতভেদ রয়েছে।
পাকিস্তান ইরানের পূর্ব সীমান্তে তিনটি সমুদ্রবন্দর এবং পাঁচটি যোগাযোগপথ উন্মুক্ত করে দিয়েছে। নিশ্চিত পরাজয় এড়াতে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ব
