ইরান যুদ্ধ: স্থায়ী ক্ষতির আশংকা বৃদ্ধি পেয়েছে
ইর ন ঘ র ব শ ব – ইরানের সাথে চলমান সংঘাত এখন চতুর্থ মাসে পৌঁছতে চলেছে। প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে এই যুদ্ধের কারণে বিশ্ব বিপর্যয়ের দিকে প্রসার হচ্ছে। ইরান সংক্রান্ত বিষয়ে উপসাগরীয় দেশগুলো এবং মানুষের প্রতি সামাজিক ও অর্থনৈতিক ধস সম্পর্কে আশংকা উপস্থিত হয়েছে।
ট্রাম্পের যুদ্ধ সংঘাত চলমান রয়েছে, যা তাঁর অবশ্য সমাপ্ত করার ক্ষমতা নেই। যুদ্ধবাজ নেতৃত্বের প্ররোচনায় তিনি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মতো আক্রমণের স্পর্শকাতর অবস্থায় দাঁড়িয়েছেন। সামরিক পরিস্থিতিতে ইরানের সামনে পথ বেড়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে, যেখানে বিভিন্ন প্রতিবেদন জানাচ্ছে যে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র মজুতের বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি।
অর্থনৈতিক ধস ও জ্বালানি দামের বৃদ্ধি বিশ্বের সব মানুষকে প্রভাবিত করছে। ইউরোপ থেকে এশিয়া পর্যন্ত খাদ্য ও পণ্যের মূল্য বেড়ে চলেছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বলেছে যুদ্ধের ফলে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমে গেছে। সাধারণ মানুষ প্রায় সাড়ে চার কোটি মানুষের খাদ্যসংকটের আশংকা নিয়ে জীবন জুড়ে ভোক বহন করছে।
ট্রাম্পের বিপদ নির্দেশ দিচ্ছে সম্প্রতি
বিশ্ব দরিদ্র দেশগুলো আরও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এ যুদ্ধের ফলে। সোমালিয়ায় চাল ও গমের দাম দ্বিগুণ হয়েছে। সারসংকট কৃষি মৌসুমকে বিপর্যস্ত করার ঝুঁকি তৈরি করেছে, যা ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের পূর্বাভাস দিচ্ছে। বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি বলেছে যুদ্ধ চলতে থাকলে আরও প্রায় সাড়ে চার কোটি মানুষ তীব্র খাদ্যসংকটে পড়বে।
সাইমন টিসডাল বলেন, ইরান যুদ্ধে ট্রাম্প যেভাবে পুতিনকে জিতিয়ে দিলেন, এর জন্য প্রয়োজন সমন্বিত ও কঠোর আন্তর্জাতিক পদক্ষেপ। পশ্চিমা দেশগুলোর হাতে এখনো যথেষ্ট প্রভাব আছে। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ যে ‘স্বাধীনতার জোট’ গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন, তা কাজে লাগিয়ে ভারত, ব্রাজিল, কানাডা ও জাপানের মতো দেশগুলোকে একত্র করা যেতে পারে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন, আফ্রিকান ইউনিয়ন, জি–২০ এবং ব্রিকসের মতো আন্তর্জাতিক জোটগুলোকে আরও কঠোর অবস্থান নিতে হবে।
বিশ্বজুড়ে এ বিপর্যয়ের বিরুদ্ধে জোরালো প্রতিবাদ কো
