Uncategorized

‘ইবার বছর তো নিজেরাই খাইতে পারতাম না, ধান বেচতাম ক্যামনে’

হবিগঞ্জে নদীর পানি ঘোলা হয়েছে ইব র বছর ত ন জ র - খোয়াই নদীর সাথে সংযোগ করে বর্ষা মৌসুমের আগে আগে নদীটি সামান্য আবৃত হয়ে আছে। তবে গতকাল বুধবার সকালে হবিগঞ্জ

Desk Uncategorized
Published May 21, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

হবিগঞ্জে নদীর পানি ঘোলা হয়েছে

ইব র বছর ত ন জ র – খোয়াই নদীর সাথে সংযোগ করে বর্ষা মৌসুমের আগে আগে নদীটি সামান্য আবৃত হয়ে আছে। তবে গতকাল বুধবার সকালে হবিগঞ্জ শহরটি পুরোপুরি সরব হয়নি। এমন সময়ে তাঁর কাঠের দোকান খুলে বসেছিলেন ৬২ বছর বয়সী মহরম আলী খান। তিনি শহরের প্রান্তে অবস্থিত নামহীন দোকানটিতে কাঠের চেয়ারে বসেছিলেন।

তাঁর সামনে বৃদ্ধ একজন কারিগর নৌকা তৈরি করছিলেন কাঠে পেরেক ঠুকে ঠুকে। মহরম আলী তাঁকে নির্দেশ দিচ্ছিলেন। বর্ষা মৌসুমে হবিগঞ্জ এলাকার অধিকাংশ বোরো ধান ভাসার জন্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মহরমের দাবি, এ ফসলে তাঁর ছয় সদস্যের পরিবারের বার্ষিক খাবারের জোগানও হবে না, বিক্রি তো দূরের কথা।

‘ইতা কি আর আমরা পাইতাম! কেউ নামও লিখে নিয়ে যায় নাই।’ বলছিলেন মহরম আলী।

খালে বয়স্ক কারিগরের কথা

এর মধ্যে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন বয়স্ক কারিগর চেঁচিয়ে উঠলেন। তিনি বলেন, ‘অন্য খিছু না খইরা উপায় আছেনি? আমার তো জমিজমা নাই। তয় যাগো আছে, তাগো ইবারের মতোন ক্ষতি আমরা দেখছি না।’ মহরম আলী তাঁর কথায় সায় দিলেন।

ওই সময় তাঁর বয়স সাত ছিল বলে তিনি জানান। পূর্বপুরুষদের এই ব্যবসা সামলান বাবার সঙ্গে তাঁর ছেলে নাইম খান জড়িয়ে পড়েন। মহরম আলী জানান, ডুবে যাওয়া পাকা ধান দেখে তাঁর বুক ভেঙে যাচ্ছিল। তিনি বুঝে যান, আর কোনো উপায় নেই। শ্রমিকসংকটের কারণে পাঁচ কিয়ার জমির একটি ধানও ঘরে তুলতে পারেননি।

হবিগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে জেলায় ১ লাখ ২৩ হাজার ৮৪৮ হেক্টর জমিতে বোরো ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু আগে প্রায় ১ লাখ ২৩ হাজার ৬৪৪ হেক্টর জমি আবাদ করা হয়েছে। এর মধ্যে জেলার প্রায় ১০ হাজার হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সরকার তিন মাস মেয়াদি মানবিক সহায়তা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। বেশি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রতি মাসে ৭ হাজার ৫০০ টাকা, মাঝারি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রতি মাসে ৫ হাজার টাকা ও কম ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ২ হাজার

Leave a Comment