বাংলাদেশের আসন্ন বাজেটের আভাস ও চ্যালেঞ্জ
আসন ন ব জ ট র ক – বাংলাদেশের আসন্ন বাজেট বিষয়বস্তু এবং তার আকার সম্পর্কে কিছু মূলনোটা প্রকাশ পেয়েছে যা এখন পর্যন্ত বিষয় দুটির মাধ্যমে পরিচিত হয়েছে। অর্থমন্ত্রীর নানান বক্তব্য এবং প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা থেকে বাজেটের সম্ভাব্য রূপরেখার কিছু চিত্র বেরিয়ে এসেছে। এই চিত্রগুলো আলাপ-আলোচনা পর্যায়ে বিভিন্ন মহলকে আশ্বস্ত করেছে, কিন্তু বাজেটের বিভিন্ন বিষয়ে কিছু প্রশ্ন, কিছু অস্বচ্ছতা রয়েছে। এগুলো আগামী দিনগুলোতে আরও স্পষ্ট করে তুলতে হবে সরকারকে।
বাজেটের উন্নয়নদর্শন কী কী অর্থে প্রকাশ পেয়েছে?
পরিকল্পনার উন্নয়নদর্শন হিসেবে ‘মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন’ কথাটি প্রস্তাবিত হয়েছে। এটি দুটি কারণে প্রশংসনীয়। প্রথমত, যেকোনো বাজেটের বিষয়বস্তুতে উন্নয়ন দর্শনের মূল্য আছে। এটি কাঙ্ক্ষিত এবং সুস্পষ্ট করে জীবনমানের উন্নয়ন বাজেটের বিষয়টি নিশ্চিত করার প্রয়োজন। দ্বিতীয়ত, মানব কল্যাণের বিষয়টি বাজেটের উন্নয়নদর্শনের ভিত্তি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। মানুষ উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পরিচিত হয়েছেন। এই বিষয়টি বাংলাদেশ জাতীয় ও বৈশ্বিক মুদ্রা তহবিলের বিষয়ে দৃঢ় করে মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন বাজেটে বিশেষ মূল্য আছে।
আগামী অর্থবছরে বাংলাদেশের বাজেটের রূপরেখায় একটি উন্নয়নদর্শন উপস্থাপন করা হয়েছে যা বিশ্বাস করে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং বাস্তবসম্মত। অর্থনৈতিক স্থবিরতা, শ্লথ বিনিয়োগ এবং বৈশ্বিক মন্দার কালে বাজেট প্রণীত হয়েছে যে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়তে পারে দ্বিগুণ হারে এক বছরের মধ্যে। এ লক্ষ্যমাত্রার বাস্তবসম্মতি যাচ্ছে না বলে মনে হচ্ছে।
বাজেটের তৈরি হয়েছে একটি সংকটময় সময়ে। সেই সময়টি দেশজন আর বৈশ্বিক ভাবে প্রতিঘাতের সম্মুখীন হয়েছে। দুঃসময়ে বাজেটের কাজ সম্পন্ন করতে হবে নানান অন্তরায়গুলো পেছনে রেখে। সামাজিক সুরক্ষার মূল্য আছে আগামী বাজেটে কিছু কিছু প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে খাদ্য, জ্বালানি ও সারের ভর্তুকি কমানোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে যে এটা যৌক্তিক নয়। সেই সময়টিতে খাদ্য ও জ্বালানির ভর্তুকি তুলে নিলে জনজীবন বিপর্যস্ত হবে। সারের ভর্তুকি কমিয়ে দিলে খাদ্যনিরাপত্তা ক্ষুণ্ন হবে। তাই এই মুহূর্তে সার ভর্তুকি কমানো যাবে না বলে দৃঢ় করে নিশ্চিত �
