আমি কখনো অশালীনতার পথে যাই না
আম কখন অশ ল নত র পথ – রাজপাল যাদব কমেডির পরিচিত ছন্দে আবারও পর্দায় উপস্থিত হলেন। তাঁকে পুরোনো আকারে দেখা গেল প্রিয়দর্শন পরিচালিত ছবিটিতে। ছবির মাধ্যমে অভিনয়দর্শন, হাস্যরস এবং দীর্ঘ ক্যারিয়ারের অভিজ্ঞতা নিয়ে কথা বলেছেন তিনি। এই আড্ডায় সেসব প্রকাশ করেছেন ছবির প্রযোজক একতা কাপুরের জুহু বাংলোতে।
সম্পর্ক আরও গভীর হয়েছে
প্রিয়দর্শনের সাথে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক নিয়ে কথা বলতে গিয়ে রাজপাল যাদব বলেন, “কাজ করতে করতে সম্পর্ক গভীরতর হয়েছে। যখন আপনি লাগাতার ভাবে কাজ করেন, তখন অনেক কিছু অনুভব করা যায় যা শব্দে প্রকাশ করা যায় না। একটা টিউনিং তৈরি হয়েছে, যেটা অনুভব করা যায়। প্রিয়জি আমার জীবনের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে রয়েছেন।”
তাঁর মতে সময়ের সঙ্গে এই সম্পর্কের পরিণতি আরও স্পষ্ট হয়েছে। সাম্প্রতিক কাজের অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেন তিনি, “২০ বছর আগে হাঙ্গামার সময় যে এনার্জি দেখেছিলাম, এখন তার ১০ গুণ বেশি দেখেছি। উনি ভীষণ ভদ্র মানুষ এবং প্রতিটি চরিত্রকে পূর্ণতা দেন। ওনার সিনেমায় সব সময় শেখার সুযোগ থাকে।”
কমেডির আসল মূল্যবোধ
হাসতে হাসতে অভিনেতা বলেন, “আমরা তখন একেবারে নতুন ছিলাম আর এখন আমরা ‘ওয়েল-নোন বিগিনার’ হয়েছি—শেখার প্রক্রিয়া এখনো চলছে।” কমেডিকে অনেকে সহজ মনে করলেও তিনি বলেন, “কমেডি ভেতর থেকে স্বাভাবিকভাবে আসতে হয়। এখানে সঠিক টাইমিং খুব জরুরি। আমি চরিত্র ফুটিয়ে তুলতে শারীরিক ভাষা এবং নবরসের সূক্ষ্ম ব্যবহার করি।”
বিনোদনের বিজ্ঞান
তাঁর ভাষায়, “বিনোদন শুধু কমেডি বা ট্র্যাজেডি নয়, এটি একধরনের বিজ্ঞান। যাকে বুঝে শিখতে হয়। যত গভীরভাবে বুঝবেন, তত নিখুঁতভাবে উপস্থাপন করতে পারবেন।”
চার্লি চ্যাপলিন, গোবিন্দ, রজনীকান্ত আর জ্যাকি চ্যান রাজপালের প্রিয় কমেডিয়ান। তিনি বলেন, “ওঁরা যেন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার—যেখানে দাঁড়ান, সেখানেই অসাধারণ কিছু সৃষ্টি করেন।”
সিরিয়াস চরিত্রের প্রতি আগ্রহ
রাজপাল যাদব শুধু কমেডিতেই সীমাবদ্ধ থাকতে চান না। সিরিয়াস চরিত্রেও নিজেকে প্রমাণ করতে চান তিনি। “ম্যায় মেরি পত্নী অউর ওহ” ছবিতে সেই প্রসঙ্গ টেনে বলেন, “আমি সব সময় সমতা বজায় �
