আমার ২০ বছর ও মায়ের একই সময়ে রয়েছে
আম র ২০ বছর ম য় রও – ২৭ মে আমার জন্মদিন হয়েছিল। তার সাথে দেখা যায় যে মায়ের ক্ষেত্রেও তাদের প্রতিটি মুহূর্ত আমার সাথে যুক্ত। যে দিন আমার জন্ম হয়েছিল সেই দিন মায়ের জীবনে আরও এক নতুন স্তর সৃষ্টি করেছিল। ঘড়ির কাঁটার চাক্করে পরিবারের নাশতার পর ঘুম থেকে উঠে তাঁর স্কুলের খাতা আর লেসন প্ল্যান গুছিয়ে চলে যাওয়া দেখা যায়। মা কখনও কম ছুটির ঘণ্টা কাটায় নি, সে তার দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলো সবসময় কাজে ব্যয় করেছিলেন।
সময় সামনে চলেছে কিন্তু স্নেহ সর্বদা থাকে
সন্ধ্যায় বাসায় ফেরেন মানুষ আমার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় বলে মনে হয়। তাঁর রান্নাঘরে ঢুকে পড়া, সন্তানদের পড়াশোনার খোঁজ নেওয়া এবং রাতের খাবার আয়োজন সবাই তাঁর অপরিহার্য দায়িত্ব। যে দিন সবার জন্য ছুটি, মাকে তার দিনটি সর্বদা বাড়তি কাজের দিন হিসেবে দেখা হয়। কিন্তু আমার ২০ বছরের মধ্যে তাঁর মুহূর্তগুলো আমার জন্মদিনে আমার স্নেহের প্রতি নিজের অসম্ভব ঘনত্ব ছিল।
অসম্ভব ঘনত্বে ভরা মায়ের সঙ্গে কাটানো ছোট ছোট মুহূর্তগুলো আমার সবচেয়ে বড় শান্তি। রান্নাঘরে দুটো কথা বলা, ঘুমানোর আগে মুঠোফোনটা দূরে সরিয়ে রেখে হাতটা ছুঁয়ে বসে থাকা—এগুলো আমার অনুপ্রেরণার সাথে ছুটি ছুটি। ক্লাসের ভারী ব্যস্ততার মধ্যেও তাঁর স্নেহ একটু কমে নি।
আমার ২০ বছর আর মায়ের সময় সবসময় কাটে না শুধু তাঁর চোখের ক্লান্তির আড়ালে লুকিয়ে থাকা গভীর স্নেহ আমাকে প্রতিনিয়ত নতুন শক্তি দেয়। তাঁর ঘুমের আগে দুটো কথা বলার সময় সে আমার কাছে আসে এবং আমার মনের ভাবনাগুলো শুনে নেন। আমার স্কুলে যে সময় আমি ছুটির দিনে পড়ি, তাঁর সময়ে সে বিশ্বের অন্যতম আমার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হয়ে দাঁড়ায়।
ডাকাতেরা যখন মুখ চেপে ধরেছিল, তখন মনে মনে শুধু বলছিলাম, ‘আল্লাহ আমাকে অসম্মানিত কইরো না’
আমার ২০ বছরের মধ্যে মা একজন অত্যন্ত উৎসাহী বামন হয়েছিলেন। তাঁর অবকাঠামো কখনও কমে নি, আর সে আমার সবচেয়ে বড় শক্তি হিসেবে আমাকে কাজে লাগে। আমি কখনও কিছু করতে চাই না, তখন সে আমাকে দুটো মুহূর্ত নিয়ে আসে আমার সাথে কথা বলতে।
একটি মেয়ের জীবন নানা রঙে সাজানো থাকে। কিন্তু যেদিন সে প্রথম মা হয়, সেদিন তার ভেতরের বহু সত্তা মিলেমিশে জন্ম নেয় এক নতুন মানুষ। আমার ২০ বছরের মধ্যে মাকে শুধু এটুকুই বলতে চাই—তুমি শুধু একজন সফল শিক্ষক নও, তুমি আমার দেখা সেরা মা। সেই দিন থেকে আমি ক
