আমার ব্যাপারে সব সিদ্ধান্ত সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে আসত: আরমান
আম র ব য প র সব – সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান জেরার সময় ঘটনার পরিস্থিতি বর্ণনা করেছেন যে তাঁর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত সর্বোচ্চ স্তর থেকে আসত। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর সাক্ষী জেরার পরিচ্ছন্নতা করে তিনি এ কথা ঘোষণা করেন।
মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান বলেন, তাঁর গুম থাকার সময় তাঁর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত সর্বোচ্চ স্তর থেকে আসত। তখন তিনি বুঝতে পারেন যে শেখ হাসিনার নির্দেশে তাঁর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত আসত। তিনি সেখানে একজন সিনিয়র ব্যক্তির কথা উল্লেখ করেন যে তাঁকে গুম করার নির্দেশ সর্বোচ্চ স্তর থেকে প্রাপ্ত হয়।
পত্রপত্রিকা বা অন্য কোনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁকে শেখ হাসিনা গুমের নির্দেশ দিয়েছেন—এমনটা জানতে পারেননি।
মামলার বিস্তারিত তথ্য
টিএফআই সেলে গুম করা ঘটনার মামলায় মোট ১৭ জন আসামি রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ঢাকা সেনানিবাসের সাবজেল থেকে ১০ জন আসামি উপস্থিত হয়েছেন। তাঁদের নাম হলো ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, মো. কামরুল হাসান, মো. মাহাবুব আলম এবং কে এম আজাদ; কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন ও আনোয়ার লতিফ খান (অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে); লে. কর্নেল মো. মশিউর রহমান, সাইফুল ইসলাম ও মো. সারওয়ার বিন কাশেম।
গতকাল তাঁদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। এ মামলার অপর সাত আসামি পলাতক রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে শেখ হাসিনা, তাঁর উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, র্যাবের সাবেক মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ, এম খুরশীদ হোসেন ও মো. হারুন অর রশিদ এবং লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মাদ খায়রুল ইসলাম রয়েছেন।
