আগুন থেকে আলোর পথে
আগ ন থ ক আল র পথ – ফরিদ উদ্দিন আত্তারের দ্বাদশ-ত্রয়োদশ শতাব্দীর রচনা হিসেবে পরিচিত হিজরী তাজকিরাত আল-আউলিয়া সুফি সাধকদের জীবনী সংকলনের গুরুত্বপূর্ণ একটি আকরগ্রন্থ। এর বাংলা অনুবাদে এটি সাধুদের জীবনী নামে পরিচিত। প্রাথমিক বইটি সুফি সাধুদের পরিচয় নিয়ে বিস্তারিত ছিল, কিন্তু ব্রিটিশ প্রাচ্যবিদ ও ফারসি সাহিত্যের পণ্ডিত এ জে আরবেরি এর সংক্ষিপ্ত রূপ বাংলায় সংকলন করেন। এটি ২০০০ সালে ইংরেজি ভাষায় মুসলিম সেইন্টস অ্যান্ড মিস্টিক্স নামে প্রকাশিত হয়।
হাসান বসরির জীবনী ও জীবন পথের পরিচয়
আল-হাসান ইবনে আবিল হাসান আল-বসরি হিজরী ২১ সালে (৬৪২ সালে) মদিনায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ইরাকের মাইসান থেকে বন্দী হওয়া এক দাসের পুত্র ছিলেন, যাঁকে পরবর্তীতে নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর সচিব জায়েদ ইবনে সাবিতের অনুগত মুক্তদাস হিসেবে পরিচিত করেন। তাঁর বসরায় লালিত-পালিত হওয়ার সুবাদে নবী (সা.)-এর বহু সাহাবির সাক্ষাৎ পান। যাঁদের মধ্যে ছিলেন বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণ করা বলা হয়েছে সাতান্নাই সাহাবী।
বেশি বয়সে তাঁর আপসহীন ধর্মপরায়ণতা এবং উচ্চপদস্থদের ভোগবিলাসের বিরুদ্ধে সমালোচনার কারণে তাঁর প্রজন্মে একজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। মুতাজিলা ধর্মতাত্ত্বিকদের মতে তিনি তাদের আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে মনে করা হয়, এবং আমর ইবনে উবায়েদ ও ওয়াসিল ইবনে আতাকে তাঁর শিষ্য হিসেবে বর্ণিত হয়।
হাসান বসরায় মূল্যবান রত্ন ও সোনা নিয়ে বাণিজ্য করতেন। বাইজান্টিয়ামের সঙ্গে তাঁবে বাইজান্টিয়ামের সামাজিক নেতাদের সাথে ব্যবসা-বাণিজ্যের বন্ধন ছিল। এক সময় তিনি বাইজান্টিয়াম যাওয়ার পর সেনাপতি এবং মন্ত্রী তাঁর সাথে মুখোমুখি হন।
“আমরা একটা বিশেষ স্থানে যাব, যদি আপনি সম্মত থাকেন তবে হ্যাঁ।”
মন্ত্রী হাসানকে উপস্থিত করেন। তিনি ঘোড়ায় চড়ে প্রস্তুত হন। তাঁরা মরুভূমিতে পৌঁছালে হাসান দেখেন একটি রেশম দড়ি ও সোনালি খুঁটি দিয়ে বাঁধা তাঁবু। এর সামনে রেশম দড়ি ও সোনালি খুঁটি দিয়ে বাঁধা তাঁবু হাসান সম্মুখে দাঁড়ান।
তখন এ
