আইপিএল কাঁপিয়ে কান্নায় বিদায় সূর্যবংশীর
যুবকের কান্না প্রাণে আগুন জালো
আইপ এল ক প য় ক ন – এক পনের বছর বয়সী কিশোর কাঁদছে। কেউ পরীক্ষায় অঙ্কে কম নম্বর পেয়ে কাঁদতে পারে, কেউ প্রত্যাখ্যাত হয়ে কাঁদতে পারে কেউ কে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে। কিন্তু গতকাল রাতে কাঁদা দৃশ্য লাখো ক্রিকেটপ্রেমীর মন ছুঁয়ে গেছে। রুদ্রমূর্তি ধারণ করা ছেলেটির ব্যাট হাতে এমন একটি ইনিংস খেলা হয়েছে যে আইপিএলের তারকারা তার দৃশ্যটি ভিডিও গেমের পরিবর্তে খেলা মনে হয়েছে।
যেখানে ব্যাটিং বিশেষ করে অনুভব করেছে এতটা সহজ নয়, কিন্তু সূর্যবংশী তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর বল বোধ হয় একটু বেশিই খেলেছেন। শেষ চার ইনিংসে তিনি বারবার নার্ভাস নাইন্টিজে ফিরেছেন। বিশেষ করে রাজস্থান রয়্যালস গুজরাট টাইটানসের বিপক্ষে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে হারার পর কান্নার দৃশ্য আকর্ষণ করেছিল।
বিপর্যয়ে ইনিংসের নূতন দিক দেখা গেছে
শুক্রবারের ইনিংসটি ছিল নতুন ধরনের। এত প্রতিকূল পরিস্থিতিতে তিনি টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে দীর্ঘতম ওভার ক্রিজে থাকেন। এলিমিনেটর ম্যাচে ব্যবহৃত ৪ নম্বর পিচে শুরু হয়েছিল দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার। সেখানে বোলারদের কাছে তাঁর কাছে উইকেট পড়ছিল।
তারা ক্রিজে অবস্থানে বল ছোট লেংথে ছুড়ে ব্যাটসম্যানদের চাপে রাখে। সূর্যবংশী এই পরিস্থিতিতে বৈভব প্রতিভা প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু নিজের অসাধারণ ইনিংসের দর্শন করা হয় বিশেষ করে প্রধান কোচ কুমার সাঙ্গাকারা তাঁর ব্যাটিংয়ে প্রতিভা দেখেছিলেন।
“আজ ও অসাধারণ ব্যাটিং করেছে। চারপাশে উইকেট পড়ছিল, ফলে এটি অনেক কঠিন একটি ইনিংস ছিল। কিন্তু ও স্নায়ুর দৃঢ়তা ধরে রেখেছে। আমাদের লড়াই করার মতো স্কোর এনে দেওয়ার পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান ওর।”
আইপিএলে সূর্যবংশী এতটা যে পরিণত হয়েছে তা বোঝা যায় ব্যাটিংয়ে। তিনি অনেক বিশেষ করে টেস্ট ও ওয়ানডেতে ভারতের অধিনায়ক শুভমান গিলের ফিল্ড সাজানোর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে পারেন। মোহাম্মদ সিরাজের বোলিং পরিকল্পনাও বদলে দিতে পারেন।
পরাজয়ের সামনে বিশাল দৃশ্য সৃষ্টি করেছেন
গুজরাট টাইটানসের বিপক্ষে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে সূর্যবংশী বারবার অপেক্ষা করতে হয়েছে। এই ম্যাচে তিনি প্রায় ৩১ বলে গেইলের ছক্কার রেকর্ড বাড়িয়েছিলেন। কিন্তু অনেক সময় অস্থির হয়ে পড়েছিলেন। ইনিংসের শুরুতে অসম বাউন্স
