রইদ: আদিম প্রেমের গল্প ও বিশেষ চরিত্র
অ য ড ম ইভ র আদ – সাধু নতুন বউকে গ্রামে নিয়ে আসছে ঘোড়ার গাড়িতে চড়ে। মুখে রুমাল চেপে লাজুক হাসছে সে। এটা কি বেশি বয়সে বিয়ে হলো না। কিন্তু বউয়ের বয়স কম। তবে সে নাকি পাগল। গ্রামে আসার আগেই সেটা চাউর হয়ে গেছে। ঘোড়ার গাড়ির আশপাশে ছোটো বাচ্চারা অনবরত পাগল পাগল বলে গুঁঝে ওঠে।
সাধুর স্ত্রী বা পাগলি ও ছাড়বার পাত্র নয়; সেও ভেংচি কাটছে। গাড়ি থেকে লাফ দিয়ে নেমে ছেলে-ছোকড়াদের কথা কাটিয়ে আসছে। হ্যান্ডহেল্ড ক্যামেরায় গাড়ির ঝাঁকুনির দৃশ্য চলতে থাকে। গাড়ি পার হওয়ার পর দুর্গাপ্রতিমা বিসর্জনের শোভাযাত্রা চলে যায় সে পাশ দিয়ে। শুরুর এই দৃশ্য যেন সম্পূর্ণ ছবির কথা।
মিয়া ভাই ও সাধুর প্রেমের কথা
মিয়া ভাই যেন সাধুকে মাছের প্রজেক্ট করতে সুবিধা পেতে সে পাগলির সঙ্গে সাধুকে বিয়ে করেছেন। বিয়ে করে সুখ পায় না সাধু; বউ পাগলি। রাঁধতে তো পারেই না, রাতেও সঙ্গ মেলে না। দিনে দিনে বিরক্তি চরমে ওঠে। একদিন মেলা দেখার নাম করে সাধু পাগলিকে নিয়ে এক নির্জন প্রান্তরে ফেলে আসে। কিন্তু পাগলি ফিরে আসে। সঙ্গে নিয়ে আসে আশ্চর্য রান্নার হাত। তালের পিঠা বানিয়ে সাধুকে খাওয়ায় পিঠা বাপের জন্মে খায়নি। এবার সাধু অনুরাগী হয়ে ওঠে বউয়ের। কিন্তু কপালে সুখ সয় না।
গ্রামের ছেলেমেয়েদের আবারও পাগলিকে পাগলি বলে খেপায়। পাগলি তো ছেড়ে কথা বলার পাত্র নয়। পাগলির হাতে এক শিশু মাথা ফেটে আহত হয়। শেষে শিকলবন্দী করা হয় পাগলিকে। সাধুর ঘরে আগুন লাগে। এবার সে ফিরে আসে গর্ভে সন্তান নিয়ে। কার সন্তান এটা জানা নেই। সাধু পাগলিকে চায়, কারণ সেই হাতে বাপের জন্মে না খাওয়া পিঠা বানানো সম্ভব। কিন্তু সন্তান তো সে চায় না। পাগলি সব বোঝে। আর এবারই সে স্বেচ্ছায় সাধুকে ছেড়ে যায়। পাগলিকে না পেয়ে সাধুও পাগলপ্রায় হয়ে ওঠে। কি আর তাকে খুঁজে পাবে?
ছবির প্রকৃত সারকথা
ঈদের ছুটির শেষ বিকেলে কি পয়সা উসুল হলো মাসুদ রানার দেখে। ট্রেলারেই ছিল প্রমাণ যে ‘রইদ’-এ অ্যাডাম ও ইভের ছায়া থাকবে। সাধু আর পাগলি যেন আদিম দুই নর-নারী। তাল গন্ধমের রূপক। সেটা খাওয়ার পরই সাধু পাগলির প্রেমে পড়ে। তবে রইদ অ্যাডাম-ইভের গল্পকেও ছাড়িয়ে যায়। স্পষ্ট-অস্পষ্ট রূপকে মাতা মেরি, মহাপ্রলয়ে নোয়ার ন
