অন্তত ঈদের ছুটিতে হাসুন
অন তত ঈদ র ছ ট ত – রবার্ট ডানবার নামের একজন অধ্যাপকের গবেষণার প্রকাশের পর জো ওয়েবসাইটে তিনটি কৌতুক প্রকাশিত হয়েছে। এগুলো কিছুটা সাজে সাজে বর্ণনা করছি।
কৌতুক নং ১
একজন ভদ্রলোক দরজা খুললেন। তিনি দেখলেন দরজায় একটা শামুক। তার স্থান ছুড়ে মারার চেষ্টা করলেন। কিন্তু তিন বছর পর আবার তিনি দরজায় নক দিলেন। সেই শামুক বলল, আপনি আমাকে ছুড়ে মারলেন কেন? আমার সমস্যা কী ছিল বলুন।
কৌতুক নং ২
আলাদীনের চেরাগ দৈত্য আসার পর তিন বন্ধু তার নিকট প্রমাণ চাইল। প্রথম বন্ধু কিছু বলল, মায়ামিতে পাঠান। দ্বিতীয় বন্ধু মালদ্বীপে চলে যাওয়ার কথা জানাল। তৃতীয় বন্ধু জানাল, আমি একা ছিলাম। আমার দুই বন্ধুকে ফিরিয়ে আনুন।
আমার মনে হয় এই কৌতুকগুলো আমার এমন কিছু নয় যা পছন্দ করি। আমি সেরা কৌতুকের জন্য এখনও জন্মানো ছিলাম না।
কৌতুক নং ৩
বিশ্বকাপ ফাইনালে একজন সুন্দর সিটে খেলা দেখছেন। তার পাশের আসন ফাঁকা। তাঁকে আরেকজন বলল, কেন সুন্দর সিটটা ফাঁকা রাখলেন? সেই ব্যক্তি জবাব দিলেন, এটা আমার বউয়ের জন্য কিনেছিলাম। আমরা বিশ্বকাপ ফাইনাল একসঙ্গে দেখি। আজ আমি একা দেখছি।
বিশ্বকাপ ফাইনালের সিটটা কেন কিনেছিলেন সে বিষয়ে প্রহরী বলল, আপনি বউকে কত ভালোবাসেন তা দেখা যাচ্ছে। বন্ধুদের হাসার জন্য আপনি একটি ছোট আইন বাস্তবায়ন করতে পারতেন।
নতুন কৌতুকগুলো
আগে বলা হয়েছিল কৌতুকগুলো বিশ্বাস করা যায় না। এবার আরও তিনটি নতুন কৌতুক স্থান দিলে হাসতে হবে।
কৌতুক নং ৪
একজন লোক একটি আলবিনো মহিষ কোরবানির জন্য কিনেছিল। তাকে পুলিশ চিড়িয়াখানায় নিয়ে যেতে চাইল। কার্ড দেখানোর জন্য তাকে বলা হল, সেটি ট্রাম্প কার্ড।
কৌতুক নং ৫
ইন্টেরিমের আমলে হাম টিকা দেওয়া হয় নি। কারণ জাদুঘরে কিছু হাম দরকার ছিল। তাই এই কৌতুকটি অনুমোদন করা হয়েছিল।
কৌতুক নং ৬
কিচেন কেবিনেটে কী থাকে? মসলার কৌটা আর হাঁড়িপাতিল। কিন্তু আমাদের কেবিনেটে কেউ থাকে না। কারণ সবাই বলে থাকে, আমি ছিলাম না। আমি ছিলাম না।
