Uncategorized

উদ্যোক্তা সিরাজুল ইসলামের হাতেই বদলে গেল গোবরা গ্রাম

উদ্যোক্তা সিরাজুল ইসলামের হাতেই বদলে গেল গোবরা গ্রাম উদ য ক ত স র জ - গোবরা গ্রাম যেন একটি জীবন্ত খামারে পরিণত হয়েছে। গ্রামে প্রতিটি বাড়িতে গাভি ও ছাগলের

Desk Uncategorized
Published July 14, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

উদ্যোক্তা সিরাজুল ইসলামের হাতেই বদলে গেল গোবরা গ্রাম

উদ য ক ত স র জ – গোবরা গ্রাম যেন একটি জীবন্ত খামারে পরিণত হয়েছে। গ্রামে প্রতিটি বাড়িতে গাভি ও ছাগলের খামার পরিচালনা করা হচ্ছে, মাছের পুকুর ও সবজির চাষের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে স্থিত এ গ্রাম আগে ছিল অবিশ্বাস্য একটি কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক কেন্দ্র।

সিরাজুল ইসলাম, যিনি রংপুরের পীরগাছা উপজেলার এ গ্রামের বাসিন্দা, বাড়িতে ঢুকতেই গাভির খামারে ব্যস্ততা দেখা যায়। ছোটবেলা থেকে তাঁর স্বপ্ন ছিল উদ্যোক্তা হওয়া। তাঁর লক্ষ্য ছিল শুধু নিজের কর্মসংস্থান নয়, এলাকার বেকার মানুষদেরও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা দেওয়া।

২০১৩ সালে লালমনিরহাট সরকারি কলেজ থেকে ডিগ্রি পাস করার পর তিনি শাহবাগ গ্রামে একটি খামার পরিদর্শন করেন। সেখানে আবদুর রহমানের সফলতা তাঁকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। তাঁর হাতে গাভি ও ছাগল পালনের বিশেষ কৌশল শিখে আরও উন্নয়ন ঘটানো হয়। বাড়ির পাশে খামার শুরু করার পর তিনি প্রথম বছরে দুধ ও বাছুর বিক্রি করে প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকা আয় করেছিলেন।

বর্তমানে সিরাজুলের খামারে দেশি-বিদেশি মিশে গাভির সংখ্যা প্রায় ২৬টি হয়েছে। প্রতিদিন দুধ আয় গড়ে প্রায় ১৪০ থেকে ১৫০ লিটার। তাঁর বাড়ির চারপাশে ফলদ্রুম গাছ ও সবজি বাগান গড়ে তুলা হয়েছে। তিনি মোটরসাইকেল, বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট ও জমি কিনেছেন।

গ্রামের বাসিন্দা ইউপি সদস্য রেজাউল করিম বলেন, সিরাজুল তাঁদের গর্ব। তাঁর দেখানো পথ ধরে অনেক পরিবার খামার গড়ে ভাগ্য বদলেছে।

তাঁর পরামর্শে অনেক তরুণ স্বাবলম্বী হয়েছেন। তিনি বলেন, লেখাপড়া শেষ করে বিসিএস বা অন্য চাকরির পরীক্ষার জন্য সময় ব্যয় হয়, কিন্তু সে সময় যদি খামারে ব্যয় করা যেত, তাহলে চাকরির চেয়ে ভালো কিছু সম্ভব হত। দেশে শিক্ষিত বেকার যুবকদের জন্য চাকরির সুযোগ এক শতাংশের কম। তাই তরুণসমাজকে উদ্যোক্তা হতে হবে।

২০২০ সালে তিনি তিনটি বিদেশি গাভি দিয়ে খামার শুরু করেন। এখন তাঁর দৈনিক আয় প্রায় এক হাজার টাকা। আর কিছু পরিবারও সিরাজুলের উদাহরণ গ্রহণ করেছে। যেমন একরামুল হক, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, চার বছর আগে তিনটি গাভি দিয়ে খামার গড়ে তুলেছেন। বর্তমানে তাঁর খামারে ১৪টি গাভি রয়েছে। দুধ বিক্রি করে মাসে প্রায় ৬০ হাজার টাকা আয় হয়।

অন্নদা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আ

Leave a Comment