বৃষ্টির জলে আটকে পড়া পর্যটকদের অবস্থা চিন্তার বিষয়
নওগাঁ থেকে আসা পরিবার অপেক্ষা করছেন বৃষ্টি নামার জন্য
ম ঘ ছ ত এস ভ র – ৬ জুলাই পরিবারের পাঁচ সদস্যকে নিয়ে সাজেক ভ্যালির রুইলুইপাড়ায় যাওয়ার ইচ্ছা ছিল নওগাঁর জিনিয়া ফেরদৌসীর। কিন্তু পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টি সড়কের দুর্দশা ঘটিয়েছে। গতকাল বুধবার সকালে খাগড়াছড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার কথা ছিল তাঁদের। পরিবর্তে বিভিন্ন সড়ক পানিতে ডুবে গেছে এবং যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় কয়েক শ পর্যটক আটকে পড়েছেন।
গত মঙ্গলবার বিকেল থেকে নতুন পর্যটকদের সাজেকে ভ্রমণে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। কিন্তু এই নিষেধাজ্ঞা আগে আটকে পড়া পর্যটকেরা সেখানে পৌঁছেছিলেন। খাগড়াছড়ি এবং সাজেকের সংযোগকারী রাস্তাগুলো পানিতে তলিয়ে গেছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
“ছেলে, মেয়ে, স্ত্রীসহ পুরো পরিবার নিয়ে একটা ট্যুরে এলাম। কিন্তু এসে এভাবে আটকে যাব, ভাবিনি। মাইকিং করে বলা হচ্ছে, তাঁরা রুমভাড়া নেবেন না। কিন্তু শুধু তো থাকার জায়গা হলেই হয় না; পরিবারের এতগুলো মানুষের খাওয়াদাওয়া ও মানসিক অবস্থার ব্যাপার আছে।”
চাঁদপুর থেকে আসা তিন বন্ধু রাফি, রনি ও ফজলে রাব্বি একই দুর্দশায় পড়েছেন। তাঁরা দুই দিনের বাজেট নিয়ে সাজেকে আসেন। কিন্তু টানা বৃষ্টিতে তাঁদের অবস্থান দীর্ঘ হয়েছে। গতকাল থেকে মাচালং, বাঘাইহাট সহ কয়েকটি সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে। আজ বৃহস্পতিবার সড়কের কোমরসমান পানি থাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়েছে। কোথাও কোথাও সড়ক নদীর রূপ নিয়েছে এবং স্থানীয় বাসিন্দারা নৌকায় চলাচল করছেন।
“দুই দিনের বাজেট নিয়ে এসেছিলাম, আজ তিন দিন হয়ে গেল। পকেটের টাকা শেষের দিকে। খাগড়াছড়ি থেকে ৬ হাজার ৬০০ টাকা দিয়ে একটা মাহিন্দ্রা ভাড়া করে এনেছিলাম। এখন রাস্তা বন্ধ, গাড়ি চলার উপায় নেই। ড্রাইভার এখানে আটকে থাকায় প্রতিদিনের খাওয়া দাওয়ার খরচ দাবি করছেন। আমরা টাকার অভাবে নিজেরাই ঠিকমতো খেতে পারছি না।”
সাজেক ভ্যালি কটেজ ও রিসোর্টে আটকে থাকা পর্যটকদের অবস্থা
সাজেক কটেজ অ্যান্ড রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুপর্ণ দেব বর্মণ প্রথম আলোকে বলেন, পানির কারণে আজ সকালে কোনো পর্যটকবাহী গাড়ি সাজেক থেকে খাগড়াছড়ির উদ্দেশ্যে ছেড়ে যেতে পারেনি। বর্তমানে প্রায় ৬০০ পর্যটক সাজেকে আটকা পড়ে আছেন।
সাজেক ভ্যালিতে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করার অনুরোধ জানিয়েছিলেন তিনি। প্রতিনিয়ত প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। যদি বিকেলের মধ্যে সড়কের পানির স্তর নেমে যায় এবং যাতায়াতের ন্যূনতম পরিবেশ তৈরি হয়, তবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহায়তায় বিশে
