Uncategorized

ভূরুঙ্গামারীর মানুষের দুর্ভোগের শেষ কবে

সোনাহাট সেতু: মানুষ ও অর্থনীতির বৃহৎ ঝুঁকি ভ র ঙ গ ম র র - কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার দুধকুমার নদীর ওপর অবস্থিত সোনাহাট সেতু একটি ঐতিহাসিক কাঠামো। এই

Desk Uncategorized
Published July 8, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

সোনাহাট সেতু: মানুষ ও অর্থনীতির বৃহৎ ঝুঁকি

ভ র ঙ গ ম র র – কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার দুধকুমার নদীর ওপর অবস্থিত সোনাহাট সেতু একটি ঐতিহাসিক কাঠামো। এই সেতুটি ব্রিটিশ শাসনামলে ১৮৮৭ সালে নির্মিত হয়েছিল এবং পরবর্তী সময়ে সড়ক সেতুতে পরিণত হয়েছিল। এর আয়ু ছিল ১০০ বছর, যা চার দশক আগেই শেষ হয়ে গেছে। কিন্তু আজ পর্যন্ত তা বহন করছে প্রতিদিন শত শত ভারী যানবাহন।

সেতুটি প্রায় সরু যে একদিকে যান চলাচল করলে অন্যদিকে গতিনিবিড় হয়ে পড়ে। মেয়াদ পেরে গেছে কিন্তু প্রাচীন কাঠামোটি আজও ব্যবহার হচ্ছে। প্রথম আলো র প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশেষ করে দীর্ঘদিন ধরে পাটাতন ও লোহার প্লেট ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় অস্থির হয়ে উঠছে সেতুটি। পাথর বা বালুবোঝাই ভারী ট্রাকের মধ্য দিয়ে যাওয়া সময় পুরো সেতু কেঁপে ওঠে। এই ঝুঁকি দুই বছর আগে কাজ শেষ হওয়ার আশা ছিল। কিন্তু দীর্ঘ আট বছর পেরিয়ে গেছে কিন্তু নতুন সেতুর কাজ শেষ হয়নি।

প্রথম আলো র প্রতিবেদন অনুযায়ী, মেয়াদ পার হওয়া সেতুর পাটাতন ও লোহার প্লেট দীর্ঘদিন ধরেই ক্ষতিগ্রস্ত ছিল। এর ওপর দিয়ে যখন পাথর বা বালুবোঝাই ভারী ট্রাক চলাচল করে, তখন পুরো সেতু কেঁপে ওঠে।

বর্তমানে সোনাহাট স্থলবন্দরের শত শত আমদানি-রপ্তানি পণ্যবাহী ট্রাক এই ঝুঁকিপূর্ণ সেতুর ওপর দিয়ে চলছে। সেতুটি ধসে পড়লে স্থলবন্দরের বাণিজ্য বন্ধ হয়ে পড়বে। সরকার তখন রাজস্ব হারাবে। উপজেলা প্রশাসন ও কুড়িগ্রাম সড়ক বিভাগ ক্ষতিগ্রস্ত অংশ মেরামত করার আশ্বাস দিয়েছে। একটি আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

অথচ অনতিবিলম্বে নতুন সেতু চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করার আবেগ দেখা যাচ্ছে না। সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার হওয়া উচিত হবে সেতুটির বিপদ সম্পর্কে যাবতীয় জবাবদিহি নিশ্চিত করা। নতুন সেতুর কাজ আট বছর ধরে ঝুলিয়ে রাখার কারণ অনুসন্ধানের প্রয়োজন রয়েছে। এই পুরোনো কাঠামোটি দুই বছর আগে বাকি কাজ শেষ করা হয়নি বলে প্রতিদিন শত শত যানবাহন অবরোধ করছে।

তিনটি ইউনিয়নের মানুষ এবং স্থলবন্দরের ব্যবসায়ীদের কাছে আমলাতান্ত্রিক ও ঠিকাদারি অদূরদর্শিতার খেসারত দিতে হচ্ছে। ঐত

Leave a Comment