বৃক্ষরোপণ ঘটনার পরিচয়
বন ধ সভ র ব ক ষর – ২৯ জুন রাতে মাধবদী আমদিয়া ইউনিয়নের কান্দাইল এলাকার পূর্বাচল প্রবাসী পল্লী আবাসন প্রকল্পে প্রথম আলো বন্ধুসভার উদ্যোগে রোপণ করা শতাধিক ফলদ ও বনজ গাছের চারা নিয়ে সংঘটিত হয়েছিল একটি সংঘটনা। আবাসন প্রকল্পের কর্মীরা প্রায় তিন বছর ধরে এই এলাকায় গাছ রোপণ করছিলেন। রাতের আঁধারে সেই চারাগুলো কেটে ফেলা হয়েছিল।
প্রকল্পের তথ্য
২৬ জুন ওই আবাসন প্রকল্পে দুই হাজার চারা রোপণ করে বন্ধুসভার জাতীয় পরিচালনা পর্ষদ। এ প্রকল্পে আবাসন প্রকল্পের সাথে সংযুক্ত হয়েছিল বাংলাদেশ সরকারের ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ প্রকল্পের জাতীয় সেলের সদস্য ও কারিগরি বিশেষজ্ঞ জামাইল বশীর জেবি। তিনি বলেন, ‘বৃক্ষ শুধু রোপণ নয়, যত্ন নিয়ে বাঁচাতে হয়’ স্লোগানে গাছের চারা রোপণ করেছিলেন।
‘বৃক্ষহীন স্থানে বৃক্ষরোপণের উদ্দেশ্যে এ জায়গাটা খুঁজে বের করে ঢাকা থেকে গিয়ে সবাই মিলে গাছগুলো রোপণ করেছিলাম। অথচ ওই গাছগুলোই কেটে ফেলা হয়েছে। যখন সরকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কোটি কোটি বৃক্ষরোপণের জন্য কাজ করছে, তখন আমরা নিজেদের উদ্যোগে এত কষ্ট করে বৃক্ষরোপণের পর যদি শত্রুতা করে সেগুলো কেটে ফেলা হয়, সেটা ভয়ংকর অন্যায়। গাছগুলো কেন কাটা হয়েছে, সেটা জানা গুরুত্বপূর্ণ না। গাছগুলো রাতের আঁধারে কেটে ফেলা হয়েছে, এটাই বড় অপরাধ। গাছগুলো যারাই কেটেছে, তাদের শাস্তি হতে হবে।’
মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামাল হোসেন জানান, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। রাতের আঁধারে গাছগুলো কাটা হয়েছে বলে অনুমান করেছেন। কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি করেছে। তবে এখনও কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ।
আবাসন প্রকল্পটির প্রজেক্ট স্টাফ রাজীব হোসেন বলেন, ‘আমরা গাছের চারাগুলোর নিয়মিত পরিচর্যা করে আসছিলাম। প্রজেক্টে হামলার সময় তাঁরা ওই চারাগুলোও কেটে ফেলেছেন। আমরা চাই, অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পুলিশ দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নিক।’
পূর্বাচল প্রবাসী পল্লী আবাসন কর্তৃপক্ষ জানায়, ওই স্থানে দেশি অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে একদল লোক আসেন। তাঁরা ভেতরে প্রবেশ করে পোস্ট ক্যাম্পে ভাঙচুর চালান। এ ঘটনায় সাতজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ১০-১২ জনের বিরুদ্ধে মাধবদী থানায় জিডি করি। এদের পরিচয় অস্পষ্ট বলে জানান কর্তৃপক্ষ।
আরও তথ্য অনুযায়ী, ওই চারাগুলো রোপণের তিন দিন পর ঘটনা ঘটে। যাঁদের নাম এসেছে
