Uncategorized

‘এক দিন পুরোটা কেটে গেল ট্রেনে, ঘুম, খাওয়াদাওয়া—সব এলোমেলো’

ট্রেনে আটকে পরিবারের দিন গুঁঁড়ে যাচ্ছে কক্সবাজার প্রবাসীদের ওপর এক দ ন প র ট ক - এক দিন পুরোটা কেটে গেল ট্রেনে এবং এত দীর্ঘ পথ অতিক্রম করতে হয়েছে খালি ঘুম ও

Desk Uncategorized
Published July 8, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Table of Contents
  1. ট্রেনে আটকে পরিবারের দিন গুঁঁড়ে যাচ্ছে কক্সবাজার প্রবাসীদের ওপর
  2. পরিবারের দিন গুঁঁড়ে যাওয়ার পরিণতি কী?

ট্রেনে আটকে পরিবারের দিন গুঁঁড়ে যাচ্ছে কক্সবাজার প্রবাসীদের ওপর

এক দ ন প র ট ক – এক দিন পুরোটা কেটে গেল ট্রেনে এবং এত দীর্ঘ পথ অতিক্রম করতে হয়েছে খালি ঘুম ও খাওয়াদাওয়ার জন্য। ট্রেনে আটকে পরিবারের দিন গুঁঁড়ে যাচ্ছে কক্সবাজার প্রবাসীদের জন্য সকাল সোয়া ছয়টায় ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে যাত্রীদের দলে পাঁচ শিশু এবং তিন মহিলা ছিল। তাঁদের আশা ছিল বিকেলের মধ্যে সমুদ্রসৈকতে পৌঁছানো, কিন্তু দুপুরের পর থেকে তাঁরা চট্টগ্রামের ষোলশহর স্টেশনে আটকে আছেন। ট্রেনটি দুপুর ১২টা ৩৫ মিনিটে সেখানে পৌঁছে যায়। রেললাইন পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় ট্রেনটি আবার ষোলশহর স্টেশনে ফিরিয়ে আনা হয়। আইনজীবী রুহুল আমিন তাঁর পরিবার নিয়ে বিকেলের দিকে যাচ্ছিলেন। দুই হাজার টাকায় একটি গাড়ি ভাড়া করেন, কিন্তু রেলওয়ের কর্মীরা তাঁকে আবার ট্রেনে উঠতে বলেন।

পরিকল্পনার তুলনায় পরিস্থিতি আরও বেশি খারাপ হয়ে গেছে

ট্রেনে আটকে পরিবারের দিন গুঁঁড়ে যাচ্ছে এবং সব পরিকল্পনা বদলে দিয়েছে যাত্রীদের স্বাভাবিক অপেক্ষা। বাস্তবতা বদলে দেয় সব পরিকল্পনা, যেমন রাহাতুন জাহান বলেন, ‘এত বড় ভোগান্তি আগে কখনো হয়নি। বাচ্চারা বিশ্রাম চাচ্ছে। ওদের সামলানোই কঠিন হয়ে গেছে। সবাই ক্লান্ত।’ এক দিন পুরোটা কেটে গেল ট্রেনে এবং যাত্রীদের জন্য আরো একটি অভিনব পরিস্থিতি উপস্থিত হয়েছে। এই দীর্ঘ অপেক্ষা কেটে গেল ট্রেনে এবং সবাই সত্যি সত্যি পরিবারের সংকটে পড়েছে।

‘এমন পরিস্থিতিতে আগে কখনো পড়িনি। ট্রেনে বসে থাকতে থাকতে অতিষ্ঠ হয়ে গেছি। বাচ্চারা বিরক্ত হয়ে গেছে। ঘুম, খাওয়াদাওয়া— সব এলোমেলো হয়ে গেছে। এক দিন পুরোটা কেটে গেল ট্রেনে। এই এক দিন দীর্ঘ লাগছে।’

স্বজন আমেনা আক্তার তানজিনার পাশে বসে ছিলেন। তিনি বলেন, ‘দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে শুনছি, আরেকটু পর ট্রেন ছাড়বে। এক ঘণ্টা পর, আধা ঘণ্টা পর; এভাবেই বলা হচ্ছে। কিন্তু কেউ পরিষ্কার করে কিছু বলছে না। এখন জানি না, কখন কক্সবাজার পৌঁছাব, আদৌ পৌঁছাতে পারব কি না।’

রেললাইনে পানি তলিয়ে যাওয়ায় কক্সবাজারমুখী ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখতে হয়। এই পরিস্থিতির ফলে সমুদ্র দেখতে বের হওয়া শত শত পরিবারের ওপর প্রভাব ফেলেছে। তাঁদের জন্য এক দিন পুরোটা কেটে গেল ট্রেনে এবং এই সমস্যা নিয়ে যাত্রীদের মধ্যে বিপাক ছড়িয়ে পড়েছে। এক দিন পুরোটা কেটে গেল ট্রেনে এবং যাত্রীদের কাছে এই অপেক্ষা আরও সুস্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

বিশেষ করে ট্রেনে আটকে পরিবারের দিন গুঁঁড়ে যাচ্ছে এবং সমস্যা তৈরি করছে যারা সমুদ্র দেখতে বের হয়েছিলেন। কিছু কারণে এক দিন পুরোটা কেটে গেল ট্রেনে এবং তাঁদের জন্য আরও অপেক্ষা হয়ে গেছে। প্রবাসী ব্যক্তিদের বিপদে আটকে রাখা নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনও নির্দেশনা প্রকাশ করা হয়নি। এই বিপর্যয়ের জন্য তাঁদের জন্য কার্যত এক দিন পুরোটা কেটে গেল ট্রেনে এবং সমুদ্রে পৌঁছানো নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা বর্তমান।

পরিবারের দিন গুঁঁড়ে যাওয়ার পরিণতি কী?

ট্রেনে আটকে পরিবারের দিন গুঁঁড়ে যাচ্ছে এবং এই অবস্থার কারণ

Leave a Comment