জুলাই পদযাত্রা থেকে গোপালগঞ্জ বাদ দেয়া এনসিপি
জ ল ই পদয ত র করত – ২০২৬ সালের জুলাই মাসে গোপালগঞ্জে জুলাই পদযাত্রা করতে এনসিপি এখন যাচ্ছে না। এ কর্মসূচিতে দলের কেন্দ্রীয় নেতারা অংশ নিবেন না। এ বিষয়ে তাঁদের প্রধান বিবেচনা হচ্ছে নিরাপত্তাসংক্রান্ত কিছু বিষয়।
আগামীকাল সোমবার থেকে জুলাই পদযাত্রার গণ-অভ্যুত্থান শুরু হতে যাচ্ছে। এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে দলটি গণভোট বাস্তবায়ন, কর্মসংস্থান ও সীমান্ত সুরক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করবে। এটি দুই বছরের পর প্রথম বর্ষপূর্তির কর্মসূচি।
গত বছরে দলটি গোপালগঞ্জে পদযাত্রার কথা বলেছিল। তবে গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় ঢাকার বাংলামোটরে সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণা করা হয় যে গোপালগঞ্জের কর্মসূচি বাদ দেয়া হয়েছে। সেই ঘোষণার পর সাংবাদিকদের পদযাত্রার যে সূচি দেওয়া হয়, সেখানে গোপালগঞ্জে কর্মসূচি আছে।
“১৬ জুলাই রংপুরে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারতসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে আমাদের শীর্ষ নেতারা ব্যস্ত থাকবেন। গত বছরের সেই তারিখে গোপালগঞ্জে জুলাই পদযাত্রার সংঘটনার কারণে নিরাপত্তা বিষয়টি আছে।”
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে গোপালগঞ্জে পদযাত্রার কথা বলে ছিল। তবে ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই গণমাধ্যমে কর্মসূচির সংশোধিত তালিকা পাঠানো হয়। গোপালগঞ্জের কর্মসূচি তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়।
গোপালগঞ্জে সংঘাতের ইঙ্গিত ছিল স্পষ্ট। একপর্যায়ে সহিংসতায় রূপ নেয় উত্তেজনা। সেই সহিংসতার ফলে গোপালগঞ্জে সেনাবাহিনী ও পুলিশের সহায়তায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়।
সারজিস আলম বলেন, “গোপালগঞ্জে পদযাত্রার পরিবর্তে আমাদের স্থানীয় নেতাকর্মীরা সাংগঠনিক আলোচনা ও দোয়া-মোনাজাত করবেন। এ কর্মসূচিতে ঢাকা থেকে কেন্দ্রীয় নেতাদের কেউ যাচ্ছেন না।”
২০২৫ সালে জুলাই মাসে গোপালগঞ্জ ছাড়াও অন্য জেলায় দলের শীর্ষ নেতারা জুলাই পদযাত্রার কর্মসূচি গ্রহণ করেছিলেন। সে পরিপ্রেক্ষিতে আজ বিকেলে প্রথম আলোকে এনসিপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম রাজনৈতিক পর্ষদের সদস্য সারোয়ার তুষার বলেন, “প্রথম ধাপে দলীয় প্রার্থী ঘোষণার জন্য যেসব উপজেলা ও পৌরসভার তালিকা প্রস্তুত হয়েছে, সেখানে আগামী সেপ্টেম্বরে আমরা যাব। তখন গোপালগঞ্জেও কর্মসূচি পালন করব।”
সেনাবাহিনীর একটি সাঁজোয়া যানে ওঠার ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছিল। সহিংস পরিস্থিতির কারণে গোপালগঞ্জে চারজনের প্রাণহানি ঘটে। নিরাপত্তা প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
