কোরবানির ঈদে চামড়া বিক্রি হচ্ছে অর্ধেক দামে
সরকারি নির্ধারিত দামের চেয়ে দাম কমেছে চামড়া বাজারে
সরক র ন র ধ র ত – কোরবানির ঈদ অনুষ্ঠিত হওয়ার সাথে সাথে পশুর চামড়া বিক্রি করার কাজ শুরু হয়। যদিও এ বছর কোরবানিদাতা ও মৌসুমি ব্যবসায়ীরা আশা করা দাম পাননি, বরং সরকার নির্ধারিত দামের কম দামে চামড়া বিক্রি হয়েছে। গত বছর সরকার দাম বাড়ার পর চামড়া বিক্রি হয়নি সেই দরে, বরং একটি চামড়ার দাম গত বছরের তুলনায় ১৫০ থেকে ২০০ টাকা কমে গেছে।
সাধারণত ঈদের তৃতীয় দিন পর্যন্ত চামড়া বেচাকেনা হয়। গত বৃহস্পতিবার কোরবানির ঈদ অনুষ্ঠিত হয়। তবে কোরবানির পশুর চামড়া বিক্রি হওয়া শুরু হয় সেই দিন থেকেই। ঢাকায় গরুর প্রতি বর্গফুট লবণযুক্ত চামড়া সরকারি দরে নির্ধারিত হয় ৬২ থেকে ৬৭ টাকা। গত বছর দাম ছিল ৬০ থেকে ৬৫ টাকা। তবে ট্যানারির মালিকদের প্রতিবাদ জানানোর পর সেই দামে চামড়া বিক্রি হয়নি।
গরুর মাঝারি আকারের চামড়া সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়। এ বছর তাদের গড় দাম সরকারি দরের চেয়ে প্রায় অর্ধেক হয়েছে। ঢাকায় মাঝারি আকারের চামড়া প্রতি বর্গফুটের গড় দাম ১ হাজার ২০০ টাকা ছিল, কিন্তু ঈদের তিন দিনে এটি ৫০০ থেকে ৭০০ টাকায় হাসিল হয়েছে। ছোট আকারের চামড়ার দাম প্রতি বর্গফুটে ২৫০-৪০০ টাকা হয়েছে, যেখানে গত বছর এটি ৩০০-৪৫০ টাকা ছিল। অন্যদিকে চট্টগ্রামে প্রতিটি চামড়া ২০০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
গত বছর কোরবানির জন্য প্রায় ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৪ হাজার পশু প্রস্তুত ছিল। যদিও ঈদের পর কত পশু কোরবানি হয়েছে সে সংখ্যা আসেনি। এ বছর পোস্তায় এক লাখের বেশি চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্য ছিল, কিন্তু ট্যানারি মালিকদের থেকে বকেয়া টাকা না পাওয়া এবং জায়গার স্বল্পতা কারণে লক্ষ্য পূরণ হয়নি। আড়তদারদের সংগঠন বাংলাদেশ হাইড অ্যান্ড স্কিন মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের (বিএইচএসএমএ) সভাপতি মঞ্জুর হাসান বলেন, “অনেক কাঁচা চামড়া রোগাক্রান্ত বা কাটাছেঁড়া হয়েছে। ফলে পাশের ধলেশ্বরী নদীতে চামড়া ফেলে দেওয়া হয়েছে।”
কোরবানির ঈদে ব্যবসায়ীরা সাধারণত তিন দিন ধরে কাঁচা চামড়া কিনে থাকেন। প্রক্রিয়াজাত করতে লবণ, পরিবহন খরচ ও শ্রমিকের মজুরির জন্য সর্বোচ্চ ৪০০ টাকা ব্যয় হয়। যার ফলে সেই দামে চামড়া বিক্রি হয়নি। কোরবানির পশুর চামড়া যা�
