ভাষণের প্রস্তুতি ও পরিস্থিতি
য ই ঘট ক ওয় শ টন – বর্তমান সময়ে আমেরিকার ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ওয়াশিংটনে ভাষণ দেবেন বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্বাধীনতা ঘোষণার পূর্বে ভাষণ দেবার জন্য অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে আবহাওয়া সম্পর্কে প্রচুর পরিমাণে বাধা সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় সময় শনিবার রাতে ন্যাশনাল মলে ভাষণ দেবার পরিকল্পনা ছিল, কিন্তু অস্থায়ী রাস্তার বিপর্যয় বাধিয়েছিল সেই কাজটি।
‘ফ্রিডম ২৫০ অর্গানাইজেশন’ গোষ্ঠী জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ন্যাশনাল মলে রাত ১১টার দিকে তাঁর বিশেষ ভাষণটি দেবেন। বাংলাদেশ সময়ে আজ রোববার সকালে সেই সময়টি অনুষ্ঠিত হবে। তবে কয়েক ঘন্টার আগে বজ্রঝড়ের আশঙ্কায় অনুষ্ঠানস্থলে ভিড় ছড়িয়ে পড়েছে।
ট্রাম্পের ভাষণ কার্যক্রমে অস্থায়ী বিপর্যয় ঘটায়। নিরাপত্তা কর্মকর্তারা তাঁর সমর্থকদের নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খান। পরিস্থিতি আরও আর্তনাদে বিপর্যয় হয়ে ওঠে। পুলিশ সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে সবাইকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় একটি নিরাপত্তা যান বের হওয়ার পথে সবাইকে ঠেলে নিয়ে যায়।
সমাবেশ ও আতশবাজি বিষয়ে তথ্য
৪ জুলাই তারিখে আমেরিকার স্বাধীনতা ঘোষণার শতবর্ষ পূর্তিতে ট্রাম্প নির্বাচনী প্রচারের আদলে অসমাপ্ত পরিকল্পনা করেছেন। এ পরিকল্পনার ফলে প্রায় ৪০ মিনিটের আতশবাজি পোড়ানোর আয়োজন রয়েছে। সেই আয়োজনটি ইতিহাসের বৃহত্তম প্রসঙ্গ বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
ট্রাম্পের বক্তব্য এবং আবহাওয়ার প্রতিকূলতা
ট্রাম্প বলেন, ‘প্রচণ্ড গরম থাকা সত্ত্বেও—যদিও পূর্বাভাসের মতো এতটা খারাপ নয়; ওয়াশিংটনে মানুষের উপস্থিতি অবিশ্বাস্য!’ গতকাল ওয়াশিংটনে তাপমাত্রা ১০১ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা প্রায় ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠেছিল।
‘সামান্য গরম সহ্য করাটা তেমন কিছুই না। আমাদের এই অসাধারণ দেশের স্বাধীনতার জন্য অসংখ্য মানুষ যে ত্যাগ স্বীকার করেছেন, সেটার তুলনায় এটা খুবই নগণ্য।’
প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও অনুষ্ঠান চালিয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে ৮০ বছর বয়সী ট্রাম্প বলেন, এ গরমও তাঁকে দমিয়ে রাখতে পারেনি। তিনি বলেন, ‘আমি খুব দীর্ঘ একটি বক্তৃতা দেব—শুধু এটা দেখানোর জন্য যে, আমি সবকিছুই করতে পারি।’
গতকালের প্রসঙ্গ
গত শুক্রবার ট্রাম্প দক্ষিণ ডাকোটার ঐতিহাসিক মাউন্ট রাশমোর স্মৃতিসৌধ পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি পূর্বসুরি জর্জ ওয়াশিংটন, টমাস জেফারসন, আব্রাহাম লিংকন এবং থিওডোর রুজভেল্টের পাথুরে ভাস্কর্যের সামনে ভাষণ দেন।
