হ্যারি কেইন ইংল্যান্ডের হার রোধ করেছেন
ই ল য ন ড র একজন – এমন ক্ষণে যখন সবাই একজন নায়ক ও ত্রাতার অপেক্ষায় ছিলেন, তখন ইংল্যান্ড দলও সেই এক অপূর্ব সাহসী ব্যক্তির দিকে তাকিয়েছিল। তাঁর অপেক্ষায় ছিল ক্ষতিগ্রস্ত দুঃসহ চিত্র। সময়টি ছিল যেন ঘড়ির কাঁটার দ্রুত চলা সত্ত্বেও দুর্ভাগ্যের দুর্দান্ত কাহিনী আসতে চলছিল।
যখন ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধের ৭০ মিনিট পেরিয়ে যায়, তখন ক্রমেই বেড়ে চলেছিল দুর্ভাগ্যের আশঙ্কা। ইংলিশ সমর্থকদের মনে উঁকি দিচ্ছিল এক বিশেষ দুঃখ দুর্দান্ত ঘটনা যেখানে একজন বিদায়ী বিপক্ষে অপেক্ষা করে চলছিল। তবে সেই দুঃখের পরিণতি হতে দেননি ইংল্যান্ডের হাতে একজন অতিমানব। তিনি হ্যারি কেইন।
বিশ্বকাপের বিজয়ের মুহূর্তে তিনি ছিলেন সবার উপরে
অ্যান্থনি গর্ডনের পারস্পরিক সাহায্যে কেইন প্রথম গোল নেন ম্যাচের ৭৫ মিনিটে। সে গোলটি ছিল অসাধারণ, যেখানে কেইন ম্যাচের ৭৫ মিনিটে হেড করে সমতা ফিরিয়ে আনেন। এরপর ম্যাচের ৮৬ মিনিটে জয়সূচক গোলটি ছিল আরও অসাধারণ। তিনি পিঠ রেখে বল নিয়ন্ত্রণে নেন এবং চারজন নীল জার্সিধারী ডিফেন্ডারকে ফাঁকি দিয়ে নিজের জন্য জায়গা তৈরি করেন।
“এই বিশ্বকাপে বড় তারকাদের নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে, আর আজকের পারফরম্যান্সের পর হ্যারি কেইনের নামও সেই তালিকায় আরও জোরালোভাবেই উঠে আসবে।”
ইংল্যান্ডের এই ম্যাচে জোড়া গোল করে কেইন শুধু দলকে জেতাননি, ভেঙেছেন বিশ্বকাপে গোলসংখ্যায় পেলেকে ছাড়িয়ে গেছেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক। এখন কেইনের মোট গোল এখন ১৩টি, আর এবারের আসরে ৫টি। এই গোলের সাহায্যে তিনি ছাড়িয়ে গেছেন স্বপ্ন গুলিকে।
“যেভাবে তিনি ঘুরে দাঁড়ালেন, ভারসাম্য ধরে রেখে ডিফেন্ডারদের এড়িয়ে গেলেন, তারপর নিখুঁত দিকনির্দেশনা ও দুর্দান্ত শক্তিতে বল জালে পাঠালেন—সত্যিই অনন্য এক গোল ছিল।”
আইসল্যান্ডের দিকে শেষ ষোলোতে হেরে ইংল্যান্ড দল বিদায় নেয় সেদিন আজকের মতো আবারও ভেসে উঠেছিল বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম বিব্রতকর বিদায়ের দুঃসহ চিত্র। সেদিন কেইনের প্রথম গোল ছিল অন্যতম বিশেষ ক্ষণ। তারপর তিনি আবারও অনেক বিশেষ প্রতিভার দিকে বিশ্বকাপের রেকর্ড পরিবর্তন করেছেন।
পেনাল্টি গোলে মেসিকে ছাড়িয়ে শীর্ষে কেইন। ইংল্যান্ড দলের সবচেয়ে বড় ভরসার প্রতীক জ্বলে উঠলেন সবচেয়ে প্রয়োজনীয় মুহূর্তে। সেই ম্যাচে জোড়া গোল করে কেইন শুধু দলকে জেতাননি, ভেঙেছেন বিশ্বকাপে গ�
